প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৩ ১৪:৫২ পিএম
বাগদাদ শহরজুড়ে দোকান ও বারে অ্যালকোহল কিনতে পাওয়া যায়। ছবি : সংগৃহীত
ইরাকের অ্যালকোহল আমদানি ও বিক্রি নিষিদ্ধ করার আইনকে বাতিলের চেষ্টা করছেন দেশটির খ্রিস্টান রাজনীতিবিদরা ।
উল্লেখ্য, গত শনিবার (৪ মার্চ) শুল্ক কর্মকর্তাদের অ্যালকোহল আমদানি ও বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও গত মাসে এটি আইনে পরিণত হয়।
ইরাকের পার্লামেন্টে পাঁচটি আসন রয়েছে এমন একটি দল ওই আইনকে অগণতান্ত্রিক দাবি করে এর বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে।
প্রসঙ্গত, মুসলিম অধ্যুষিত দেশ ইরাকে অ্যালকোহল সেবনকে বাঁকা চোখে দেখা হয়।
দেশটিতে অ্যালকোহল বিক্রি, আমদানি বা উৎপাদনের বিপরীতে ২৫ মিলিয়ন ইরাকি দিনার পর্যন্ত জরিমানা আরোপ করে ওই আইনের খসড়া করা হয় ২০১৬ সালে। সাত বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর এটি সরকারী গেজেট হিসেবে জারি করা হয়।
যদিও আইনটি কতটা কঠোরভাবে প্রয়োগ করা যেতে পারে এবং মামলার বিপরীতে দেশের ফেডারেল সুপ্রিম কোর্ট এটিকে বহাল রাখবে কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
ইরাকের ব্যাবিলন আন্দোলনের সদস্যরা জোর বলেছেন, ‘আইনটি অসাংবিধানিক, কারণ এটি সংখ্যালঘুদের অধিকারকে উপেক্ষা করে এবং স্বাধীনতাকে সীমাবদ্ধ করে।’
ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত এস্টেট এজেন্ট সারমাদ আব্বাস বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, ওই নিষেধাজ্ঞার ফলে কালোবাজারে অ্যালকোহল বিক্রি হবে।
তিনি বলেছেন, ‘মুসলিম শিক্ষায় মদ পান নিষিদ্ধ। কিন্তু, এগুলো ব্যক্তিগত স্বাধীনতার পর্যায়ে পড়ে। এক্ষেত্রে আপনি নাগরিকদের এর চর্চা নিষেধ করতে পারবেন না।’
বিচারক এবং ইরাকের স্টেট অফ ল কোয়ালিশনের আইন প্রণেতা মাহমুদ আল-হাসান দ্বারা মূলত বিলটি প্রস্তাবিত হয়েছিল।
বিলটির স্বপক্ষে তিনি বলেছিলেন, এটি ইরাকের ২০০৫ সালের সংবিধানের ২ অনুচ্ছেদের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, যা ইসলামের বিরুদ্ধে যায় এমন কোনও বস্তু বা বিষয় নিষিদ্ধ করে।
সূত্র : বিবিসি