প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৬:২৫ পিএম
আপডেট : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৬:৪৪ পিএম
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আকেলজান্দার লুকাশেঙ্কো। ছবি : সংগৃহীত
বেলারুশের প্রেসিডেন্ট আকেলজান্দার লুকাশেঙ্কো মঙ্গলবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) তিন দিনের সফরে বেইজিং আসছেন। বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে বেলারুশকে ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) চীনের একমাত্র মিত্র এবং চীন ছাড়া চলতি বিশ্বের কোনো সমস্যার সমাধান সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন লুকাশেঙ্কো।
বেলারুশের রাজধানী মিনস্কে চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়াকে মঙ্গলবার দেওয়ার এক সাক্ষাৎকারে লুকাশেঙ্কো বলেন, ’চীনকে কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। তার অর্থনৈতিক উন্নতি কেউ আটকাতে পারবে না। চলতি বিশ্বের কোনো সমস্যার সমাধান চীনকে বাদ দিয়ে করা যাবে না।’
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিত্র লুকাশেঙ্কো ইউক্রেন হামলার জন্য রুশ বাহিনীকে নিজের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছেন। তাই যুদ্ধের এক বছরের মাথায় পরিস্থিতি যখন বিশেষ পর্বে প্রবেশ করেছে, ঠিক সেই মুহূর্তে লুকাশেঙ্কোর বেইজিং সফর গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি বারবার শঙ্কা প্রকাশ করেছে, চীন তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে রাশিয়াকে প্রাণঘাতি অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে। লুকাশেঙ্কোর সফরের মধ্য দিয়ে বেলারুশ সেই তৃতীয় পক্ষে পরিণত হলো কি না, তা নিয়ে জল্পনা বেড়েছে।
তবে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির মুখপাত্র গ্লোবাল টাইমসের এক সম্পাদকীয়তে লুকাশেঙ্কোর চীন সফর নিয়ে পশ্চিমা গণমাধ্যমের ‘কুসংস্কারকে’ তীব্রভাবে আঘাত করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো বেলারুশকে রাশিয়ার ‘ছোট মিত্র’ হিসেবে দেখতে অভ্যস্ত। এটা অত্যন্ত সমস্যাজনক। অন্যদিকে তারা লুকাশেঙ্কোর বেইজিং সফরকে নানানভাবে রঙ দিতে চেষ্টা করছে। এটা নিয়ে গুজব ছড়াতে কোনো কিছু বাকি রাখছে না। পশ্চিমা গণমাধ্যমের এ ধরনের হলুদ সাংবাদিকতা অত্যন্ত নিম্নরুচির পরিচয়। এটা মূল বিষয়কে বুঝতে বাধা দেয়।
সূত্র : আল জাজিরা