সর্বনিম্ন জন্মহার
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৬:৫৮ পিএম
আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৭:০৯ পিএম
নিজের শিশুকে জড়িয়ে বিশাল কাঁচ দিয়ে ধুলোময় শহর দেখছেন এক নারী। ২০১৯ সালের মার্চে সিউলে। ছবি : সংগৃহীত
দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২২ সালে এক জীবনে প্রতি নারীর গর্ভধারণের হার শূন্য দশমিক ৭৮ পয়েন্টে নেমে এসেছে। ২০২১ সালে তা ছিল শূন্য দশমিক ৮১ পয়েন্ট। অভ্যন্তরে গর্ভধারণের হার সবচেয়ে কম রাজধানী সিউলে, শূন্য দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। দেশটির পরিসংখ্যান ব্যুরোর বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
দক্ষিণ কোরিয়ার গর্ভধারণের হার ৩৭ দেশের জোট অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থার (ওইসিডি) মধ্যে সর্বনিম্ন। ২০২০ সালে সংস্থাটির গর্ভধারণের গড় হার ছিল ১ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের তা ছিল ১ দশমিক ৬৪ পয়েন্ট। আর জাপানের ছিল ১ দশমিক ৩৩ পয়েন্ট।
কোনো দেশের জনসংখ্যার ভারসাম্য বজায় থাকার জন্য গর্ভধারণ হার থাকতে হয় ২ দশমিক ১ পয়েন্ট।
আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ায় প্রতি নারীর সন্তান জন্ম দেওয়ার হার গড়ে একের নিচে চলে আসে ২০১৮ সালে। এরপর ২০২১ সালে প্রথমবারের মতো দেশটির জনসংখ্যা সংকুচিত হয়।
জনসংখ্যা সংকোচনের বিষয়টি আগেই টের পেয়েছিল দক্ষিণ। তাই গত ১৬ বছরে জন্মহার বাড়াতে ২১ হাজার কোটি ডলার অর্থ ব্যয় করেছে দেশটি। কিন্তু জন্মহ্রাস রোধের গতি কমানো যায়নি।
জন্মহার কমায় বিশ্বের ১০ বৃহত্তম অর্থনীতিটা নানান দিক থেকে চাপে পড়তে পারে। একটা সময় পর দেশটিতে বড় ধরনের জনশক্তি সংকট দেখা দিতে পারে। বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা বাড়ায় এক দিকে বৃদ্ধি পাবে রাষ্ট্রীয় কল্যাণ খাতের ব্যয়। অন্যদিকে কমবে করদাতাদের সংখ্যা।
সূত্র : আল জাজিরা