× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

উ. কোরিয়ার পরমাণু কেন্দ্র থেকে বিকিরণের আশংকা

দশ লাখ মানুষের জীবন সংকটে

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৩:৪৭ পিএম

আপডেট : ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১৩:৫৫ পিএম

উত্তর কোরিয়ার উত্তর হামজিয়োং প্রদেশে অবস্থিত পাংগেই-রি গবেষণা কেন্দ্রের স্যাটেলাইট ছবি।

উত্তর কোরিয়ার উত্তর হামজিয়োং প্রদেশে অবস্থিত পাংগেই-রি গবেষণা কেন্দ্রের স্যাটেলাইট ছবি।

২০০৬ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে মাটির তলার গোপন পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র থেকে কম করে হলেও ছয়বার পরমাণু অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছিল কিম জং উনের দেশ উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র সেই দাবিই এত দিন করে এসেছে। 

এ বার  ‘ট্রানজ়িশনাল জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ’ নামে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি মানবাধিকার সংস্থা দাবি করেছে, ওই পরীক্ষাগুলো করার ফলে উত্তর কোরিয়ার পাংগেই-রি পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র ও তার আশপাশের ভূগর্ভস্থ পানিতে এত পরিমাণ তেজস্ত্রিয় পদার্থ ছড়িয়ে পড়েছে যে, উত্তর কোরিয়ার কমপক্ষে দশ লাখ মানুষের জীবন এখন সংকটে। 

গত সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে ওই মানবাধিকার সংস্থা। বিভিন্ন বিজ্ঞানী, পরমাণু গবেষক এবং পরিবেশবিদদের গবেষণার ফলাফলের কথা নিজেদের ওই রিপোর্টে উল্লেখ করেছে তারা। 

তাদের দাবি, তেজস্ক্রিয় বিকিরণের ভয় রয়েছে চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়ার মতো দেশের বাসিন্দাদেরও। তার অন্যতম কারণ হল, উত্তর কোরিয়ার সীমান্তবর্তী এই দেশগুলোতে কাঁটাতার পেরিয়ে চোরাপথে মাছ থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের জিনিস নিয়মিত এসব দেশে পাচার করা হয়।

উত্তর কোরিয়ার উত্তর হামজিয়োং প্রদেশে অবস্থিত ওই পাংগেই-রি গবেষণা কেন্দ্র। এর আশপাশে উত্তর কোরিয়ার আটটি শহর রয়েছে, যার বাসিন্দারা নিয়মিত খাওয়া ও রান্নার জন্য সেখানকার মাটির তলার পানি ব্যবহার করেন। 

সংস্থার প্রধান হুবার্ট ইয়ং-হন লি সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘শুধু নিজেদের দেশই নয়, উত্তর কোরিয়ার ওই পরমাণু পরীক্ষার ফলে আশপাশের অন্য কয়েকটি দেশের বাসিন্দাদের জীবনও এখন ঝুঁকির মুখে।’ 

উত্তর কোরিয়ার সরকার অবশ্য সঙ্গে সঙ্গেই ওই রিপোর্টের দাবি আমলে নেয়নি। পিয়ংইয়্যাংয়ের দাবি, তাদের দেশের কোনও এলাকার ভূগর্ভস্থ পানিতে তেজস্ক্রিয় বিকিরণের প্রমাণ মেলেনি। অথচ সংবাদমাধ্যমের কাছে এই দাবির সপক্ষে কোনও প্রমাণ পেশ করতে পারেনি তারা।

তবে, ওই রিপোর্টের ভিত্তিতে নড়েচড়ে বসেছে চীন ও জাপানের মতো দেশ। তারা তেজস্ক্রিয় বিকিরণের উপরে পরীক্ষা ও নজরদারির গতি বাড়াচ্ছে বলে জানিয়েছে। 

এর আগে, ২০১৫ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা তাদের একটি রিপোর্টে দাবি করেছিল, উত্তর কোরিয়া থেকে চীন হয়ে যে মাশরুম তাদের দেশের বাজারে আসে, তাতে স্বাভাবিকের তুলনায় নয় গুণ বেশি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের অস্তিত্ব মিলেছে। 

আগামী কয়েক মাসের মধ্যে কিম সপ্তমবারের জন্য পরমাণু অস্ত্র পরীক্ষা করতে চলেছেন বলে বার বার আশংকা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়া প্রশাসন। আশংকা সত্যি হলে উত্তর কোরিয়ার সাধারণ মানুষের বিপদ আরও বাড়বে বলেই আশংকা করছেন বিজ্ঞানীরা।

সূত্র : ন্যাশনাল পোস্ট

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা