প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৮:৪৮ এএম
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ০৮:৫০ এএম
তুরস্কের হাতায়ে ভূমিকম্পের পর ধসে পড়া একটি ভবনের ধ্বংসস্তুপে উদ্ধার অভিযান চলার সময় অপেক্ষা করছেন এক নারী। ছবি: আলজাজিরা
ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এখন পর্যন্ত দেশ দুটিতে নিহতের সংখ্যা ৪৬ হাজার ছাড়িয়েছে। ৮৪ হাজারেরও বেশি ভবন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, সেগুলো জরুরি ভিত্তিতে ভেঙে ফেলা দরকার, নয়তো ধসে পড়তে পারে।
তুরস্কে এখন পর্যন্ত মোট ৪০ হাজার ৬৪২ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। আর প্রতিবেশী দেশ সিরিয়ায় ৫ হাজার ৮০০ জনেরও বেশি প্রাণহানি ঘটেছে। সিরিয়ায় নিহতের এই সংখ্যা বেশ কয়েকদিন ধরে অপরিবর্তিত রয়েছে।
এদিকে কিরগিজস্তানের শ্রমিকরা গতকাল শনিবার দক্ষিণ তুরস্কের আন্তাকিয়া শহরের একটি ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি সিরিয়ান পরিবারকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিল। এর মধ্যে শিশুসহ তিনজনকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আন্দালুর প্রকাশিত ছবিতে জানা যায়, ধ্বংসস্তূপে আটকা পড়ার ২৯৬ ঘণ্টা পর এক পুরুষ, এক নারী ও এক শিশুকে উদ্ধার করা হয়। সংবাদ সংস্থাটি পরে জানায়, চেষ্টা করা সত্ত্বেও শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
৬ ফেব্রুয়ারি ভোরের দিকে তুরস্ক ও সিরিয়ায় ৭ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। প্রথম ভূমিকম্পের ৯ ঘণ্টার মাথায় ৭ দশমিক ৪ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। আর তাতে দেশ দুটিতে হাজার হাজার ভবন ধসে পড়ে। ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়েছে বহু মানুষ। এর মধ্যে এখনো অলৌকিকভাবে অনেককে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে।
সূত্র: আলজাজিরা