× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বেলুনের বিষয়ে হয়তো জানতেনই না জিনপিং

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১২:১৮ পিএম

আপডেট : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১২:২২ পিএম

বেলুনের ধ্বংসাবশেষ নৌকায় টেনে তুলছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সদস্যরা। ছবি : বিবিসি

বেলুনের ধ্বংসাবশেষ নৌকায় টেনে তুলছে যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর সদস্যরা। ছবি : বিবিসি

আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর ভূপাতিত চীনা বেলুনটি ব্যাপক বিস্তৃত নজরদারি কর্মসূচির অন্তর্ভুক্ত ছিল বলে মনে করছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু খোদ শি জিনপিং হয়তো এ ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক এক বিশ্লেষণে উঠে এসেছে এ তথ্য।

যুক্তরাষ্ট্রের ওই মূল্যায়নটি বৃহস্পতিবার মার্কিন আইনপ্রণেতাদের সামনে পেশ করা হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ঘটনা আদৌ সত্যি হলে, এর মধ্য দিয়ে চীনের ভেতরে চলমান উল্লেখযোগ্য অব্যবস্থাপনা ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে এমন একটি সময়ে, যখন বেশ নাজুক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক।

এর অবশ্য একটি বিকল্পও হতে পারে। শি হয়তো জানতেন ওই বেলুনের ঘটনা। কিন্তু কিছুই করেননি। এ বিষয়টিও এক অর্থে উদ্বেগের। কারণ সে সময় বেইজিং সফরে যাওয়ার কথা ছিল মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেনের। ফলে এটি সত্যি হলে ধরে নিতে হবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন তৈরি হওয়া নিয়ে পরোয়া করেননি শি।

এখন পর্যন্ত এ ঘটনার ব্যাপারে সে রকম কোনো তথ্য দেয়নি চীন। নজরদারির অভিযোগ অস্বীকার করে শুধু বলেছে, বেসামরিক গবেষণা বেলুন ছিল সেটি। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঢুকে পড়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের আকাশসীমায়।

গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে চীন দাবি করে, বেলুনটি সরকার বা সামরিক বাহিনীর নয়, ‘ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানের’। অথচ দেশটিতে প্রায় সবকিছুই রাষ্ট্রায়ত্ত। ফলে তাদের এ ব্যাখ্যা নিয়ে সংশয় রয়েছে অনেকেরই।

যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেছেন, নজরদারি কর্মসূচি পরিচালনার জন্য এ ধরনের বেলুনের বহর তৈরি করা হয়ে থাকে। আর এ কাজ সাধারণত করা হয় পিপলস লিবারেশন আর্মির (পিএলএ) নির্দেশনায়। ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, চীন ওই নজরদারি বেলুনগুলো পাঁচটি মহাদেশে ৪০টিরও বেশি দেশের ওপর দিয়ে উড়িয়েছে। তবে এ ব্যাপারে আর কোনো তথ্য দেননি তিনি। 

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন ব্যাখ্যার পর বিশ্লেষকরা এখন বলছেন, শি হয়তো গোটা কর্মসূচির ব্যাপারে জানতেন, কিন্তু এর দৈনন্দিন পরিচালনা সম্পর্কে অবহিত ছিলেন না। ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের (এনইউএস) লি কুয়ান ইউ স্কুল অব পাবলিক পলিসির জ্যেষ্ঠ গবেষক লি থম্পসন বলছেন, শি জিনপিংয়ের অধীনে ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করার মূল সমস্যাটি হলো-- নিচের দিকের কর্তাব্যক্তিদের হাতে কর্তৃত্বের অভাব। এর মানে দাঁড়াচ্ছে, নিম্নপদস্থ যেসব কর্মকর্তা এ অভিযান আরও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে পারতেন, তাদের হয়তো অনুমতি দেওয়া হয়নি, আর না হয় এর রাজনৈতিক প্রভাব কী হতে, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা তাদের ছিল না। 

উচ্চপদস্থ এবং নিম্নপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষমতার লড়াইয়ের কারণেও যোগাযোগ বাধাগ্রস্ত হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন থম্পসন। তিনি বলেন, সমগ্র চীন শাসন ব্যবস্থাজুড়ে একটা উদ্বেগ লক্ষ করা যায়। এটি তাদের একটি বৈশিষ্ট্য। সেখানে নিম্নপদস্থরা নিজ কর্তৃত্বের জন্য লড়াই করে। আর উচ্চপদস্থরা আরও নিয়ন্ত্রণ কুক্ষিগত করতে লড়ে। 

অনেক বিশ্লেষক অবশ্য বলছেন ভিন্ন কথা বলছেন। তারা মানতে নারাজ যে, শি জিনপিং এবং পিপলস লিবারেশন আর্মি ও চীনা কমিউনিস্ট পার্টির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা ওই বেলুনের ব্যাপারে কিছুই জানতেন না। এ রকমই একজন এনইউএস লি কুয়ান ইউ স্কুল অব পাবলিক পলিসির আলফ্রেড ইউ শি প্রসঙ্গে বলেন, তার ব্যক্তিত্বই এমন যে, তিনি শতভাগ নিয়ন্ত্রণ চান। আমার মনে হয় না, জিনপিং ওই মাত্রার ক্ষমতায় অনুমোদন দেবেন।

সূত্র : সিএনএন 

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা