বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সতর্কতা
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১১:০২ এএম
আপডেট : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ ১১:২২ এএম
বৈরী আবহাওয়ায় ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারীরা। ছবি: আলজাজিরা
সিরিয়ার সীমান্তের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে শক্তিশালী ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা আট গুণ বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও)।
সোমবার (৬ ফেব্রুয়িারি) ভোরে প্রথম ভূমিকম্প আঘাত হানার পর থেকে আজ মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৪ হাজার লোকের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। এখনো ধ্বংসস্তূপে নিখোঁজ রয়েছেন বহু মানুষ।
প্রথম ভূমিকম্পের ১২ ঘণ্টা পরই আরও উত্তরে দ্বিতীয় শক্তিশালী কম্পন অনুভূত হয়।
তুষারময় পরিস্থিতিতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবিতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারীরা।
জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এই সংকটের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক পরিবারই ধ্বংসস্তূপে আটকে আছে। যেখানে ‘পৌঁছানো একটি চ্যালেঞ্জ’ সেখানে মানবিক সহায়তার ভীষণ প্রয়োজন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ উদ্ধার প্রচেষ্টায় সহায়তার জন্য বিশেষজ্ঞ দল, তল্লাশির জন্য প্রশিক্ষিত কুকুর এবং অন্যান্য সরঞ্জাম পাঠাচ্ছে।
তুরস্কে অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। এ ছাড়া নেদারল্যান্ডস এবং রোমানিয়া থেকে উদ্ধারকারীরা ইতিমধ্যেই তুরস্কের পথে রয়েছেন। ৭৬ জন বিশেষজ্ঞ, সরঞ্জাম এবং উদ্ধার কুকুর পাঠাবে বলে জানিয়েছে যুক্তরাজ্য।
ফ্রান্স, জার্মানি, ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রও সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
ইরানের মতো রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন তুরস্ক ও সিরিয়া উভয়কেই সাহায্যের প্রস্তাব দিয়েছেন।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুলেমন সোয়লু বলেছেন, প্রাথমিক ভূমিকম্পে হাতায়, ওসমানিয়ে, আদিয়ামান, মালত্য, সানলিউরফা, আদানা, দিয়ারবাকির ও কিলিসসহ ১০টি শহর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
১৯৯৯ সালে দেশটির উত্তর-পশ্চিমে একটি মারাত্মক ভূমিকম্পে ১৭ হাজারেরও বেশি মানুষ মারা যায়।
এর আগে ১৯৩৯ সালে দেশটির সবচেয়ে ভয়াবহ ভূ-কম্পনে পূর্ব এরজিনকান প্রদেশে ৩৩ হাজার মানুষ মারা গিয়েছিল। সূত্র: বিবিসি