প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১৯:০৯ পিএম
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১৯:২৩ পিএম
পার্লামেন্টে নীতি-নির্ধারণবিষয়ক বক্তৃতা দিচ্ছেন ফুমিও কিশিদা। ২৩ জানুয়ারি। ছবি : সংগৃহীত
শিশু জন্মহার বাড়াতে দ্রুত বিভিন্ন পদক্ষেপ নিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা। যথাসময়ে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া না গেলে নিজেরা বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারেন বলেও সতর্ক করেছেন তিনি।
সোমবার (২৩ জানুয়ারি) পার্লামেন্টে নীতি-নির্ধারণবিষয়ক এক বক্তৃতায় কিশিদা বলেন, ‘আমরা একটি চরম মুহূর্তে দাঁড়িয়ে আছি। আমাদের সমাজ সচল থাকবে কি না, তা আমাদের আজকের সিদ্ধন্তের ওপর নির্ভর করছে। শিশুজন্ম ও লালন-পালন বিষয়ে আমরা যদি এখনই নতুন নীতি প্রণয়ন করতে না পারি, তাহলে আগামী দিনে তা আর কখনই সম্ভব হবে না।’
গত বছর জাপানে মাত্র আট লাখ শিশু জন্মগ্রহণ করেছেন। এর আগে এক বছরে এত কম শিশু দেশটিতে আর জন্মগ্রহণ করেনি। অন্যদিকে এত কম শিশু জন্মগ্রহণের বিষয়টি হওয়ার কথা ছিল ২০৩০ সালে। অর্থাৎ পূর্বাভাসের আট বছর আগেই একটি বড় ধরনের সংকটে পড়ে গেছে দেশটি।
বক্তৃতায় কিশিদা ঘোষণা দেন, আগামী জুনের মধ্যে আমরা শিশু-সংশ্লিষ্ট নতুন বাজেট ঘোষণা করব। এটা এই খাতের আগের বাজেটের প্রায় দ্বিগুণ হবে। তা ছাড়া শিশু ও পরিবার নিয়ে এপ্রিলের মধ্যে একটি নতুন সরকারি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও জানান তিনি।
রয়টার্স জানায়, ইউওয়া পপুলেশন রিসার্চের তথ্যমতে, জাপানে শিশু লালন-পালনের ব্যয় বিশ্বে তৃতীয় সর্বোচ্চ। জাপানের আগে রয়েছে যথাক্রমে চীন ও দক্ষিণ কোরিয়া। ওই দুই দেশেও শিশু জন্মহার আশঙ্কাজনক হারে কমেছে।
গত সপ্তাহে চীন জানায়, ২০২২ সালে দেশটির জন্মহার ৬১ বছরে সর্বনিম্নে নেমে এসেছে।
সূত্র : রয়টার্স।