প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১৮:০০ পিএম
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১৮:১৩ পিএম
ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
ভারতের রাজ্যগুলোর সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে হিজাব পরে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার অনুমতি চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন কর্ণাটকের শিক্ষার্থীরা।
দাবিটি সর্বোচ্চ আদালতে তোলার পরে ভারতের প্রধান বিচারপতি ধনঞ্জয় ওয়াই চন্দ্রচূড় সোমবার (২৩ জানুয়ারি) বলেন, ২০২২ সালের অক্টোবরে পূর্ববর্তী বেঞ্চের দুই বিচারপতি বিভক্ত রায় দিয়েছিলেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি তিন বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে পাঠানো হবে। আর তাই নতুন বেঞ্চ গঠনের বিষয়ে বিবেচনা করবেন তিনি। মামলাকারীদের রেজিস্ট্রারের কাছে একটি নোট জমা দিতে বলেন প্রধান বিচারপতি।
বিচারপতি চন্দ্রচূড় জানান, তিনি এই মামলার একটি দিন নির্ধারণ করে দেবেন।
মামলার বাদীদের বক্তব্য, সরকারি প্রতিষ্ঠানে হিজাব পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করার কারণে অনেকেই বেসরকারি কলেজে চলে গেছেন। তবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে পারে শুধু সরকারি কলেজেই। তাই পরীক্ষার সময় হিজাব পরার অন্তর্বর্তীকালীন রায়ের দাবিতে এই মামলা করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, হিজাব বিতর্ক নিয়ে কর্ণাটক হাইকোর্টের রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে সুপ্রিম কোর্টে দ্বারস্থ হয়েছিলেন বাদীরা।
কর্ণাটক হাইকোর্ট এর আগে রায় দেয়, হিজাব মুসলিমদের জন্য বাধ্যতামূলক নয়। সেক্ষেত্রে স্কুল বা কলেজের ইউনিফর্ম মেনেই পড়ুয়াকে শ্রেণিকক্ষে ঢুকতে হবে। এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন শিক্ষার্থীরা।
সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে ভিন্নমত পোষণ করেন সুপ্রিম কোর্টের দুই বিচারপতির বেঞ্চ। বিচারপতি হেমন্ত গুপ্ত আবেদন খারিজ করার পক্ষে রায় দেন এবং হিজাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখেন।
অন্যদিকে বিচারপতি শুধাংশু ধুলিয়া আবেদন অনুযায়ী হিজাবের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পক্ষে রায় দেন।
সূত্র : আউটলুক ইন্ডিয়া