প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৩ ২২:৫০ পিএম
আপডেট : ২০ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:২৪ এএম
নতুন এই জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তির উদ্ভাবন বাইডেন প্রশাসনের ২০৫০ সাল নাগাদ বিমান চালনা খাতে শূন্য কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রাকে সমর্থন করবে। ছবি : সংগৃহীত
পরিবেশবান্ধব বাণিজ্যিক ফ্লাইটপ্রযুক্তির উন্নয়নের লক্ষ্যে জোট বেঁধেছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা এবং উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িং। একত্রে প্রতিষ্ঠান দুটি কাজ করবে ‘সাসটেইনেবল ফ্লাইট ডেমোনেস্ট্রেটর’ প্রকল্প নিয়ে, যা এ দশকের মধ্যেই স্বল্প কার্বন নিঃসরণকারী উড়োজাহাজ তৈরি, পরীক্ষা এবং ওড়ানোর ব্যবস্থা করবে।
গত বুধবার এক বিবৃতিতে উঠে এসেছে এ তথ্য। নাসা প্রশাসক বিল নেলসন বিবৃতিতে বলেছেন, ‘শুরু থেকেই আপনার উড্ডয়নের সঙ্গে নাসা ছিল। এ কাজ করতে গিয়ে নাসা বিমান চালনাকে আরও টেকসই এবং নির্ভরযোগ্য করে তুলেছে। এটি আমাদের ডিএনএ-এর সঙ্গে মিশে গেছে।’
বিল নেলসন আরও বলেন, ‘এটি আমাদের লক্ষ্য যে, নাসা বোয়িংয়ের সঙ্গে অংশীদারিতে পূর্ণ কাঠামোর ডেমোনেস্ট্রেটর তৈরি করবে এবং তা পরীক্ষা করে দেখবে, যা ভবিষ্যৎ বাণিজ্যিক বিমানগুলোকে আরও জ্বালানিসাশ্রয়ী করে তুলতে সহায়তা করবে। এর সুফল ভোগ করবে পরিবেশ, বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ শিল্প এবং বিশ্বের যাত্রীরা।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি সফল হই তাহলে আমরা হয়তো এ প্রযুক্তির বিমান ২০২৩ সাল নাগাদ আকাশে দেখতে পাব।’ নাসা প্রশাসক জানান, ২০২৮ সাল নাগাদ এই আকাশযানের পরীক্ষামূলক ফ্লাইট হওয়ার কথা রয়েছে। মূল লক্ষ্য হলো, আকাশের প্রায় ৫০ শতাংশ বাণিজ্যিক ফ্লাইটকে এ প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা।
সিএনএনের প্রতিবেদন বলছে, নতুন এই জ্বালানিসাশ্রয়ী প্রযুক্তির উদ্ভাবন বাইডেন প্রশাসনের ২০৫০ সাল নাগাদ বিমান চালনা খাতে শূন্য কার্বন নিঃসরণ লক্ষ্যমাত্রাকে সমর্থন করবে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে বোয়িং ও নাসা বিমানের যে নকশা নিয়ে কাজ করছে, তা একদিকে জ্বালানি খরচ কমাবে, অন্যদিকে বর্তমানের সবচেয়ে কার্যকর বিমানের তুলনায় কার্বন নিঃসরণ ৩০ শতাংশ পর্যন্ত কমাবে। একে বলা হচ্ছে ‘ট্রানসনিক ট্রাস-ব্রেসড উইং’ কনসেপ্ট।
এ অংশীদারি ‘ফান্ডেড স্পেস অ্যাক্ট অ্যাগ্রিমেন্ট’ সমর্থিত বলেও উল্লেখ করেছে সিএনএন। ফলে এটি নাসার কারিগরি দক্ষতা এবং সুবিধার ওপর নির্ভর করবে। আগামী সাত বছরে এ প্রকল্পের পেছনে ৪২ কোটি ৫০ লাখ ডলার খরচ করবে সংস্থাটি। অন্যদিকে বোয়িং সহযোগিতা করবে কারিগরি পরিকল্পনা তৈরিতে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি এ প্রকল্পে জোগান দেবে ৭২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। সূত্র : সিএনএন