প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৮ আগস্ট ২০২২ ১১:৫৬ এএম
আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০২২ ১২:১৬ পিএম
ছবি : রয়টার্স
নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে ফের বাণিজ্য আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও তাইওয়ান। এর আগে জুনে একটি বাণিজ্য চুক্তি সই করে দুই দেশ।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাণিজ্য আলোচনার মধ্য দিয়ে চীন নিজেদের ভূখণ্ড বলে দাবি করা দ্বীপরাষ্ট্রটিতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে। যা ওই অঞ্চলে বেইজিংয়ের অর্থনৈতিক প্রভাব কমিয়ে দিতে পারে।
এ দ্বীপরাষ্ট্রের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হিসেবে ‘তাৎপর্যপূর্ণ অর্থনৈতিক ফলাফলে’ পৌঁছাতে চায় বলে জানায় ওয়াশিংটন।
মার্কিন ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ দপ্তর জানিয়েছে, দুই পক্ষ বাণিজ্য আলোচনার জন্য ঐকমত্যে পৌঁছেছে। প্রথম দফার বাণিজ্য আলোচনা এই শরতের শুরুতে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডেপুটি ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ সারাহ বিয়াঞ্চি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, আমরা প্রতিশ্রুতি অর্জনের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী সময়সূচি অনুসরণ করার পরিকল্পনা করছি। এ সংক্রান্ত আলোচ্যসূচিতে এগারোটি বাণিজ্য ক্ষেত্রকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যাতে করে এ আলোচনা থেকে অর্থপূর্ণ ফলাফলের পাশাপাশি একবিংশ শতাব্দীর একটি ন্যায্য, আরও সমৃদ্ধ এবং স্থিতিস্থাপক অর্থনীতি গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।
আলোচ্যসূচিতে আরও বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন ও তাইপে বাণিজ্য সুবিধা, উন্নত নিয়ন্ত্রণ অনুশীলন এবং বাণিজ্যে বৈষম্যমূলক বাধা অপসারণের মতো বিষয়ে আলোচনার জন্য একটি শক্তিশালী নীতি নির্ধারণ করেছে।
এতে বলা হয়, আনুষ্ঠানিক আলোচনার সূচনা হবে উচ্চমানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এবং অর্থনৈতিকভাবে অর্থবহ ফলাফল লাভের জন্য চুক্তিতে পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে।
তবে তাইওয়ান যে অবাধ মুক্ত বাণিজ্য ব্যবস্থা চাইছে, তার কোনো সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়নি।
তাইপের সঙ্গে ওয়াশিংটনের কোনো আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক না থাকা সত্ত্বেও দেশটিকে সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছে তারা। বিশেষত চীনের সঙ্গে দ্বীপরাষ্ট্রটির সার্বভৌমত্বের দাবিতে চাপ সৃষ্টির ফলে এ সমর্থন জোরদারের কথা ব্যক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র।
প্রবা/এনএস/এমজে