তেহরানে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষবিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয় ৪ জুলাই। ছবি: এএফপি
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষকৃত্য উপলক্ষে ইরাকের মাশহাদে জনসাধারণের জন্য কোনো পাবলিক ফেয়ারওয়েল বা বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে না।
ইরাকের মাশহাদে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ‘স্মরণ সদর দপ্তরের এক কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির ‘স্মরণ সদর দপ্তর’ জানিয়েছে, তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জনসাধারণের জন্য কোনো পাবলিক ফেয়ারওয়েল বা বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে না।
সদর দপ্তরের তথ্য কমিটির সচিব মেহদি শাদ বলেন, “আগামী ৮ জুলাই বৃহস্পতিবার জানাজা ও বিশেষ দোয়া শেষে আলী খামেনির দাফন সম্পন্ন হবে। একই দিন মাশহাদের ইমাম রেজা (আ.) মাজার অভিমুখে যাওয়ার প্রধান সড়কে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে”।
তিনি আরও জানান, আগত শোকাহতদের জন্য হোটেল, হোটেল অ্যাপার্টমেন্ট, গেস্টহাউসসহ বিভিন্ন আবাসন কেন্দ্রে ২০ লাখের বেশি মানুষের রাতযাপনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
মেহদি শাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় নতুন অনুমতি মিললে আবাসন সুবিধার ধারণক্ষমতা আরও বাড়ানো হবে।
তেহরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালনের মধ্য দিয়ে খামেনির শেষবিদায়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে। শোকযাত্রার মধ্য দিয়ে তাঁর মরদেহ ইরানের বিভিন্ন শহরে নেওয়া হবে। ইরাকের বিভিন্ন শহরেও হবে শোকযাত্রা। এই শোকযাত্রার প্রতিটি ধাপে খামেনির জীবন, রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এবং সামগ্রিকভাবে শিয়া সম্প্রদায়ের নানা প্রতীকী দিককে গুরুত্ব দিয়ে উপস্থাপন করা হবে।