প্রব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
ইরানের বন্দর আব্বাসের কাছে হরমুজ প্রণালিতে অবস্থানরত তেলবাহী ট্যাঙ্কার। ছবি: দ্য সিয়াটল টাইমস/এপি
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দামে বড় ধরনের পতন হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই তেলের দাম কমেছে ৯ শতাংশের বেশি।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, কারিগরি নির্দেশক অনুযায়ী এই দাম আরও কমতে পারে, তবে বাজার পরিস্থিতির অস্থিরতার কারণে এই পথ কিছুটা চড়াই-উতরাইপূর্ণ হতে পারে।
রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ গ্রুপের তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মানদণ্ড হিসেবে পরিচিত ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম বুধবার প্রতি ব্যারেলে ৭৭.৭৫ ডলারে নেমে এসেছে, যা গত তিন মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। ক্রমাগত দরপতনের ফলে ব্রেন্ট ক্রুড দুটি গুরুত্বপূর্ণ সাপোর্ট লেভেল বা দামের নিম্নসীমা ভেঙে নিচে নেমে গেছে। এর মধ্যে একটি হলো গত ১৭ এপ্রিলের সর্বনিম্ন মূল্য ৮৬.০৯ ডলার এবং অন্যটি ২০০ সপ্তাহের গড় মূল্য ৭৯.৪৬ ডলার।
বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, সাপোর্ট লেভেল হলো এমন একটি স্তর যেখানে সচরাচর ক্রেতারা সক্রিয় হন এবং দামের পতন ঠেকিয়ে দেন। এই স্তর ভেঙে যাওয়ার অর্থ হলো বাজারের নিয়ন্ত্রণ এখন পুরোপুরি বিক্রেতাদের হাতে।
কারিগরি বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত ১০ সপ্তাহের গড় মূল্য ৯৭.০২ ডলার এখন দাম বাড়ার ক্ষেত্রে প্রধান বাধা বা রেজিস্ট্যান্স হিসেবে কাজ করছে। যদি বাজারে বিক্রির এই চাপ অব্যাহত থাকে, তবে দাম কমার পরবর্তী লক্ষ্যমাত্রা হতে পারে ৭৪.৭৮ ডলার (১০০ সপ্তাহের গড় মূল্য)।
তবে তেলের দাম যদি ফের ১০ সপ্তাহের গড় মূল্যের ৯৭.০২ ডলার ওপরে উঠে আসে, তবে তা ইঙ্গিত দেবে যে দরপতনের এই ধারা আপাতত শেষ হয়েছে এবং বাজার পুনরায় ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে।