উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন
প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
সিউলে বিশেষ প্রসিকিউটরদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিজের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পর্যালোচনার শুনানিতে অংশ নিতে আদালতে পৌঁছান দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল। ৯ জুলাই, ২০২৫ ছবি: রয়টার্স
উত্তর কোরিয়ায় ড্রোন পাঠানোর দায়ে কারারুদ্ধ দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে আরও ৩০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।
দেশটির সিউল জেলা আদালত শুক্রবার এ রায় দিয়েছেন বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
সামরিক আইন জারির ব্যর্থ প্রচেষ্টার জেরে বিদ্রোহের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন ইয়ুন এবং বর্তমানে কারাগারে সাজা ভোগ করছেন।
রাষ্ট্রপক্ষের
আইনজীবীরা যুক্তি দেন যে, পিয়ংইয়ংকে
(উত্তর কোরিয়ায়র রাজধানী) উস্কানি
দিতে ইউন ২০২৪ সালের শেষের দিকে তার ব্যর্থ
সামরিক আইন জারির প্রচেষ্টার
জন্য একটি অজুহাত তৈরি
করেন এবং এই অভিযানের
নির্দেশ দেয়।
২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর ইউন সামরিক আইন জারির ঘোষণা করেছিলেন। তখন তিনি দাবি করেছিলেন যে উত্তর কোরিয়ার প্রতি সহানুভূতিশীল রাষ্ট্রবিরোধী শক্তি থেকে দেশকে রক্ষা করেছে। কিন্তু এটা স্পষ্ট হয়ে যায় যে তিনি অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণেই এমনটা করেছিলেন এবং ব্যাপক প্রতিবাদের মুখে তিনি সেই আদেশ প্রত্যাহার করে নেন।
সিউল
জেলা আদালত ইউন, তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী
কিম ইয়ং-হিউন, প্রতিরক্ষা
কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স কমান্ডের সাবেক প্রধান ইয়েও ইন-হিউং এবং
ড্রোন অপারেশন কমান্ডের সাবেক প্রধান কিম ইয়ং-দেকে
রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও ক্ষমতার অপব্যবহারের
দায়ে দোষী সাব্যস্ত করেছে।
কিমকে
৩০ বছরের কারাদণ্ড, ইয়েওকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড
এবং কিম ইয়ং-দে-কে পাঁচ বছরের
স্থগিত দণ্ডসহ তিন বছরের কারাদণ্ড
দেওয়া হয়।
আদালত
বলেছেন, “বিবাদীরা জরুরি অবস্থা জারির লক্ষ্যে উত্তর কোরিয়াকে উস্কানি দিতে সামরিক অভিযানের
আড়াল ব্যবহার করেছিল”।