প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৪ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৪ ঘণ্টা আগে
ওয়াশিংটনে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন আলোচনার ফলে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছে। ছবি: এএফপি
লেবাননের অভ্যন্তরে বেশ কয়েকটি নিরাপত্তা অঞ্চল তৈরি ও হিজবুল্লাহ কর্মীদের হামলা বন্ধের শর্তে ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সম্মত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর একটি যৌথ বিবৃতিতে এ ঘোষণা দেয়।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুসারে যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়, যুদ্ধ বন্ধের আলোচনার অন্যান্য শর্তের পাশাপাশি হিজবুল্লাহর হামলা সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করার ওপর এই চুক্তিটি নির্ভর করছে।
লেবাননের ভবিষ্যৎকে অন্য কোনো দেশ বা সশস্ত্র গোষ্ঠীর স্বার্থে জিম্মি করার যেকোনো উদ্যোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এই তিন দেশ, এমনটাই জানানো হয় বিবৃতিতে।
দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত নয়জন নিহত এবং উত্তর ইসরায়েলে হিজবুল্লাহর রকেট হামলার পর বুধবার ওয়াশিংটনে এই চুক্তিটি ঘোষণা করা হয়।
লেবাননের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, চুক্তির মধ্যেও বৃহস্পতিবার লেবাননের দক্ষিণে ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত ছিল।
হিজবুল্লাহ, শিয়া মুসলিম মিলিশিয়া, রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক আন্দোলন হলো লেবাননের সবচেয়ে শক্তিশালী গোষ্ঠী। ইরানের সমর্থনে এটি লেবাননের সেনাবাহিনীর চেয়েও শক্তিশালী একটি সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তুলেছে এবং ইসরায়েলের সঙ্গে একাধিক সংঘাতে লিপ্ত হয়েছে।
ইসরায়েল এবং যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রসহ আরও অনেক দেশ এটিকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় চতুর্থ দফা আলোচনার পর ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে যে চুক্তিটি হয়েছে, তা মূলত নির্ভর করছে সব হিজবুল্লাহ সদস্যকে সরিয়ে নেওয়ার উপর, যারা ইসরায়েলের দখলে থাকা সীমান্ত এবং লিতানি নদীর মধ্যবর্তী একটি এলাকায় অবস্থান করছেন।
যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে,যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় লেবাননে এমন কিছু ‘পরীক্ষামূলক অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠা করা হবে, যেখানে হিজবুল্লাহর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে বাদ দিয়ে লেবাননের সেনাবাহিনী একক নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
মূলত, এই পরিকল্পনার লক্ষ্য হলো রাষ্ট্রীয় বাহিনীর বাইরে অন্য কোনো গোষ্ঠীর প্রভাব দূর করে নির্দিষ্ট এলাকাগুলোতে লেবাননের সরকারি সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা।