প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ নভেম্বর ২০২৫ ১১:২৮ এএম
আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০২৫ ১১:৩৯ এএম
ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে চলছে ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকারের শাটডাউন। আর এই শাটডাউনের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে অভ্যন্তরীণ রুটে পাঁচ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে এবং দেরিতে ছেড়েছে। আকাশপথে চাপ কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (FAA) ৪০টি বড় বিমানবন্দরে ফ্লাইট সংখ্যা কমানোর জরুরি নির্দেশ জারি করেছে।
এই নির্দেশ অনুযায়ী, এখন ফ্লাইট ৪% কমানো হয়েছে এবং আগামী সপ্তাহের শেষে তা ১০%-এ পৌঁছাতে পারে। এর ফলে নিউ ইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন ডিসির মতো প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে ভ্রমণ বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে।
বিবিসির খবর বলছে, ওয়াশিংটনের রেগান বিমানবন্দরে ফ্লাইটগুলো গড়ে ২৪০ মিনিট দেরিতে এসে পৌঁছাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহনমন্ত্রী সিন ডেফি বলেছেন, কেবল ৪ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। পরিস্থিতি এমন থাকলে আগামী সপ্তাহে ১০ শতাংশ ফ্লাইট বাতিল হতে পারে।
আমেরিকান, সাউথওয়েস্ট ও ডেলটার মতো বড় বিমান সংস্থাগুলো বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, তারা যাত্রীদের অসুবিধার কারণে অর্থ ফেরত ও বিনা মূল্যে ফ্লাইট বদলের সুযোগ দিচ্ছে।
বেতন ছাড়াই কাজ করে যাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৩ হাজার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলার এবং ৫০ হাজার নিরাপত্তা কর্মকর্তা। এতে দুর্বল হয়ে পড়েছে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। বাড়ছে ফ্লাইট বিলম্ব ও বাতিলের হার।
উদ্ভুত পরিস্থিতি সামলাতে শুক্রবার থেকে ৪০টি বড় বিমানবন্দরে ফ্লাইট ১০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন পরিবহণমন্ত্রী শন ডাফি।
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের পরিবহণমন্ত্রী জানান, দেশের ৪০টি বড় বিমানবন্দরে ১০ শতাংশ ফ্লাইট কমানোর নির্দেশ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রণব্যবস্থার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় সরকারের কার্যক্রম বন্ধ বা 'শাটডাউন' শুরু হয় গত ১ অক্টোবর থেকে।
৩৮ দিন ধরে চলা সরকারি শাটডাউনের কারণে ১৩ হাজার উড়োজাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রক ও ৫০ হাজার নিরাপত্তা তল্লাশি কর্মকর্তারা বেতন ছাড়াই কাজ করছেন। ফলে অনেকেই কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকছেন। গত বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকজন উড়োজাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রককে জানানো হয় যে তারা আগামী সপ্তাহেও দ্বিতীয়বারের মতো কোনো বেতন পাবেন না।