সিবিএসের ‘সিক্সটি মিনিটস’ অনুষ্ঠানে ট্রাম্প
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২৫ ২২:৫৪ পিএম
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিশ্বকে ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়ার মতো পারমাণবিক অস্ত্র আছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রবিবার রাতে মার্কিন সংবাদ মাধ্যম সিবিএসের ‘সিক্সটি মিনিটস’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিক নোরা ও’ডনেলের সঙ্গে কথোপকথনের সময়ই এই মন্তব্য করেন ট্রাম্প। এই সাক্ষাৎকারটি ট্রাম্পের গত পাঁচ বছরে প্রথম ‘সিক্সটি মিনিটস’ উপস্থিতি।
২০২৪ সালে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হারিসের সঙ্গে বিতর্কিত এক সাক্ষাৎকার নিয়ে সিবিএসের মূল প্রতিষ্ঠান প্যারামাউন্টের বিরুদ্ধে মামলা করে মীমাংসা করার পর এটি এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্পের প্রথম সাক্ষাৎকারও বটে।
ট্রাম্প ভালোভাবেই জানতেন তার উত্তরগুলোও সময়ের জন্য ছাঁটাই করা হবে। তিনিও কিছু অংশ প্রচার করা হোক তা চাননি।
নোরা ও’ডোনেলকে দেওয়া এই দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতি, সরকার ছাড়াও আরও কথা বলেছেন চীন, ভেনেজুয়েলা, শুল্কনীতি ও অভিবাসন প্রসঙ্গে।
যে অংশগুলো তেমন খবরযোগ্য নয় বলে সিবিএস নিউজের প্রযোজকরা মনে করেছেন, সে অংশ বাদ দিয়েই টেলিভিশনে ও’ডনেলের সঙ্গে ট্রাম্পের সাক্ষাৎকারের মোট সময়ের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ প্রচার করা হয়। বাকি অংশের বেশিরভাগ ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়েছে। এ ছাড়া নেটওয়ার্কটি ৯০ মিনিটের পুরো সাক্ষাৎকারের পূর্ণাঙ্গ প্রতিলিপিও অনলাইনে দিয়েছে।
ট্রাম্পের সাক্ষাৎকার কীভাবে নেওয়া হবে তা নিয়ে মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রিতে এক দশকের পুরনো বিতর্কের পুনরাবৃত্তি হয়েছে বলে মনে করেন উদারপন্থী ভাষ্যকাররা। ট্রাম্পকে আরও বেশি করে হস্তক্ষেপ ও সংশোধন না করার জন্য ও’ডোনেলের সমালোচনা করেছেন তারা। সাবেক এমএসএনবিসি উপস্থাপক জয় রিড ব্লুস্কিতে মন্তব্য করেছেন, ‘নোরা ট্রাম্পকে মিথ্যা বলতে দিয়েছেন কোনো প্রতিক্রিয়া বা সংশোধনমূলক তথ্যের বিধান ছাড়াই।’
সরকারি অচলাবস্থা নিয়ে নতুন কোনো পরিকল্পনা দিলেন না ট্রাম্প
সাক্ষাৎকারের সময় যুক্তরাষ্ট্রে সরকার বন্ধ হয়ে পড়ার ঘটনাটি ইতিহাসের দীর্ঘতম সময়ের কাছাকাছি ছিল। কিন্তু ট্রাম্প কোনো নতুন সমাধান প্রস্তাব করেননি। বরং তিনি বলেন, ডেমোক্র্যাটদের ওপর চাপ বাড়াতেই তিনি ভোটে বাধ্য করবেন।
‘রিপাবলিকানরা প্রায় সর্বসম্মতভাবে সরকারের পুনরায় চালুতে ভোট দিয়েছে, কিন্তু ডেমোক্র্যাটরা বাধা দিচ্ছে’, বলেন ট্রাম্প।
ডেমোক্র্যাটরা বলছেন, সরকারের বাজেট পাসের আগে অবশ্যই স্বাস্থ্যসেবা ভর্তুকি বাড়ানোর নিশ্চয়তা দিতে হবে, যা বছর অন্তে শেষ হয়ে গেলে সাধারণ মানুষের প্রিমিয়াম বেড়ে যাবে।
ট্রাম্প বলেন, ‘সরকার খুলে গেলে আমরা স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে কথা বলব। এখনকার স্বাস্থ্যসেবা ভয়াবহ এবং মানুষের জন্য অত্যন্ত ব্যয়বহুল।’
নিউইয়র্ক মেয়র নির্বাচনে কুয়োমো ‘কম ক্ষতিকর’
সাক্ষাৎকারটি প্রচারিত হয় নির্বাচনের দুদিন আগে, যেখানে নিউইয়র্ক সিটি মেয়র নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জোহরান মামদানি, রিপাবলিকান কার্টিস স্লিওয়া এবং সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কুয়োমো, যিনি এবার তৃতীয় দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
যদিও ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে সমর্থন জানাননি, তবে সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমি কুয়োমোকে মামদানির চেয়ে কম ক্ষতিকর মনে করি। যদি নিউইয়র্কে কোনো কমিউনিস্ট মেয়র আসে, তাহলে সেখানে অর্থ পাঠানো মানে তা অপচয় করা।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি কুয়োমোর ভক্ত নই, তবে যদি পছন্দ করতে হয়Ñ এক খারাপ ডেমোক্র্যাট আর এক কমিউনিস্টের মধ্যেÑ আমি সবসময় খারাপ ডেমোক্র্যাটকেই বেছে নেব।’
আইসিই অভিযানে সমালোচনার জবাব : ‘যথেষ্ট দূর যায়নি’
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পের মেয়াদকালের বিতর্কিত কয়েকটি বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়; বিশেষ করে অভিবাসন দপ্তর আইসিইর কঠোর অভিযান এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের মামলা।
ও’ডোনেল জানতে চান, আইসিই কি ‘অতিরিক্ত দূর’ চলে গেছে, যখন শিকাগোতে একটি অভিযানে কর্মকর্তারা টিয়ার গ্যাস ব্যবহার করেন ও গাড়ির জানালা ভাঙেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘না, বরং তারা যথেষ্ট দূর পর্যন্ত যায়নি। ওবামা ও বাইডেনের নিযুক্ত লিবারেল বিচারকরা তাদের বাধা দিচ্ছেন।’
তিনি যোগ করেন, ‘লোকগুলোকে দেশ থেকে বের করে দিতেই হবে, তাই এসব কৌশল দরকার।’
বিচার বিভাগের মাধ্যমে সাবেক এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি, নিউইয়র্কের অ্যাটর্নি জেনারেল লেটিটিয়া জেমস এবং সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন নিয়েও ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়। সমালোচকরা বলছেন, ট্রাম্প রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের টার্গেট করতে বিচার বিভাগ ব্যবহার করছেন।
এ বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘বরং এর উল্টোটা সত্যি। আমাকে অনেকবার অভিযুক্ত করা হয়েছে। যদি আমি এসব মামলায় জিততে না পারতাম, তাহলে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থীও হতে পারতাম না।’ তিনি বলেন, ‘আপনারা এক শান্ত-স্বভাবের মানুষ দেখছেন, যাকে বহুবার অভিযুক্ত করা হয়েছে, তবু সে জিতেছে।’
হামাসকে নিরস্ত্র করার ব্যাপারে চিন্তিত নন ট্রাম্প : ট্রাম্প দাবি করেছেন যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি ও শান্তি পরিকল্পনা ‘অত্যন্ত শক্তপোক্ত’; যদিও যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় গাজায় ২৩৬ জন নিহত হয়েছে।
এ ছাড়া স্পষ্ট নয় হামাস কখন বা কীভাবে নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হয়েছে কি না।
তবে ট্রাম্প বলেন, তিনি হামাস নিরস্ত্রীকরণকে নিয়ে চিন্তিত নন; যুক্তরাষ্ট্র তাদের জোর করে নিরস্ত্র করবে। ‘হামাস যদি ঠিকমতো আচরণ না করে, তাহলে তাদের সঙ্গে সঙ্গেই তুলে ফেলা যেতে পারে’- যোগ করেন তিনি।
মাদুরোর দিন ফুরিয়ে আসছে
ভেনেজুয়েলা প্রসঙ্গ তোলা হলে বিশেষ করে প্রেসিডেন্ট মাদুরোর দিন হাতে গোনা কি নাÑ জিজ্ঞেস করা হলে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি বলব হ্যাঁ। আমি তা-ই মনে করি।’
ভেনেজুয়েলায় স্থল হামলার সম্ভাবনা আছে কি নাÑ এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্পের জবাব, ‘এমন হামলা চালাব কি না তা নিয়ে একজন সাংবাদিকের সঙ্গে কথা না-ই বলি।’
ভেনেজুয়েলার উপকূলবর্তী দক্ষিণ ক্যারিবীয় সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সমাবেশ জোরদার করার মধ্যে ট্রাম্প বলেন, ভেনেজুয়েলায় আঘাত হানার কথা ভাবছেন না তিনি।
লাতিন আমেরিকায় মাদক পাচারের বিরুদ্ধে বিশেষ করে, ভেনেজুয়েলাকে নিশানা করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সামরিক অভিযান জোরদার হওয়ার মধ্যে তার এই মন্তব্য এলো।
ক্যারিবীয় অঞ্চলে মাদক পাচারকারী নৌযানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অভিযানের জেরে ক্রমাগত আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ছে। মাদকবাহী নৌযানে মার্কিন হামলায় বেশকিছু মানুষ নিহতের ঘটনাও ঘটেছে।
গত মাসের শুরু থেকে মার্কিন বাহিনী বেশ কয়েকটি মাদকবাহী নৌযানে হামলা চালায়, এর বেশিরভাগই হয়েছে ক্যারিবীয় সাগরে। সিবিএস নিউজ জানায়, সেপ্টেম্বরের শুরু থেকে যুক্তরাষ্ট্রের এসব হামলায় অন্তত ৬৪ জন নিহত হয়েছে। ক্যারিবীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের এমন হামলা বাড়তে থাকার মধ্যে গত মাসের শেষদিকে ভেনেজুয়েলার কাছে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ নোঙর করে।
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো মাদকচক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে অভিযোগ ট্রাম্পের। তবে মাদুরো এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।
দুই দেশের মধ্যে অচলাবস্থা আরও বেড়ে যায় গত মাসে যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন ক্যারিবীয় অঞ্চলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস গেরাল্ড আর ফোর্ড মোতায়েনের নির্দেশ দেয়।
সমুদ্র অঞ্চল ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার স্থলভাগও নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টায় আছেন বলে এর আগে জানিয়েছিলেন ট্রাম্প।
বিশ্বের অনেক দেশের মতো যুক্তরাষ্ট্রও ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট মাদুরোকে দেশটির বৈধ নেতা বলে স্বীকৃতি দেয়নি। ২০২৪ সালে ভেনেজুয়েলায় অনুষ্ঠিত নির্বাচন সুষ্ঠু এবং অবাধ নয় বলে ব্যাপকভাবে প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান।
সম্প্রতি ভেনেজুয়েলার কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি বাড়তে থাকায় দেশটিতে এমন শঙ্কাই জোরালো হচ্ছে যে, এই সামরিক তৎপরতার মধ্য দিয়ে ট্রাম্প তার দীর্ঘদিনের বিরোধী শাসককে (মাদুরো) ক্ষমতা থেকে উৎখাত করতে চাইছেন।
চীন ও রাশিয়া গোপনে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা চালাচ্ছে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, রাশিয়া ও চীন গোপনে পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালাচ্ছে। ‘সিক্সটি মিনিটস’-এ প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক পরীক্ষা পুনরায় শুরু করার নির্দেশের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন।
সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়Ñ তার নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্র কেন আবার পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা চালু করবে, যখন ১৯৯২ সাল থেকে এ ধরনের বিস্ফোরণমূলক পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘রাশিয়া পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা করছে, আর চীনও করছে। শুধু আপনারা জানেন না।’
সঞ্চালক ও’ডনেল যখন উল্লেখ করেন যে, রাশিয়া আসলে কেবল ডেলিভারি সিস্টেম পরীক্ষা করছে, অস্ত্র নয়, তখন ট্রাম্প পুনরায় জোর দিয়ে বলেন, ‘তারা পরীক্ষা চালাচ্ছে, কিন্তু এসব নিয়ে তারা কথা বলে না। আমরা ভিন্নÑ উন্মুক্ত সমাজ। আমরা বলি, কারণ আমাদের গণমাধ্যম আছে, যারা লিখবে। কিন্তু ওদের নেই।’
ট্রাম্প যুক্তি দেন, ‘ওরা পরীক্ষা করছে, উত্তর কোরিয়া করছে, পাকিস্তান করছে; তাহলে আমরা কেন করব না?’
তার এই সিদ্ধান্তে রিপাবলিকানরা সমর্থন জানালেও ডেমোক্র্যাটরা এটিকে বিপজ্জনক ও অকার্যকর বলে সমালোচনা করেছেন।
‘দুনিয়া ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়ার মতো পারমাণবিক অস্ত্র আমাদের আছে’
যুক্তরাষ্ট্রের হাতে বিশ্বকে ১৫০ বার উড়িয়ে দেওয়ার মতো পারমাণবিক অস্ত্র আছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিন ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংÑ দুজনের সঙ্গেই ‘নিরস্ত্রীকরণ’ নিয়ে আলোচনা করেছেন জানিয়ে ট্রাম্প এ কথা বলেন।
নোরা ও’ডোনেল জিজ্ঞেস করেন, ‘প্রেসিডেন্ট শির সঙ্গে আপনার সাক্ষাতের এক ঘণ্টারও কম সময় আগে, আপনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন যে আপনি পেন্টাগনকে পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন? এ প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘ঠিক বলেছেন’।
ট্রাম্প বলেন, ‘নিরস্ত্রীকরণ খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের কাছে এমন পারমাণবিক অস্ত্র রয়েছে, যা দিয়ে পৃথিবীকে ১৫০ বার ধ্বংস করা যায়। রাশিয়ার কাছেও অনেক অস্ত্র আছে, আর চীনও দ্রুত সেগুলো বাড়াচ্ছে।’
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়ার পেছনে যুক্তি দেখাতে গিয়ে তিনি বলেন, চীন ও রাশিয়াও তাদের অস্ত্র পরীক্ষা করছে ‘তবে সেটা আপনারা জানেন না।’
ট্রাম্প আরও বলেন, ‘দেখুন, এটা খুব প্রতিযোগিতামূলক একটি বিশ্ব, বিশেষ করে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে। আমরা যেমন তাদের নজরে রাখি, তারাও আমাদের রাখে। তবে আমি মনে করি, আমরা ভালো সম্পর্ক বজায় রাখছি।
একসঙ্গে কাজ করলে আমরা আরও বড়, ভালো ও শক্তিশালী হতে পারবÑ পরস্পরকে আঘাত করার চেয়ে এটা অনেক ভালো।’
চীনের পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে ট্রাম্প বলেন, বেইজিং ‘দ্রুতগতিতে অস্ত্র তৈরি করছে। আমাদের পারমাণবিক অস্ত্র বিশ্বের যে কোনো দেশের চেয়ে বেশি। রাশিয়া দ্বিতীয়, চীন অনেক পেছনে তৃতীয় স্থানে। তবে পাঁচ বছরের মধ্যে তারা সমান হয়ে যাবে। তারা দ্রুত বানাচ্ছে এবং আমি মনে করি নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে কিছু করা উচিত’- বলেন ট্রাম্প।