প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ০৯:৪৩ এএম
ওআইসি আয়োজিত জরুরি শীর্ষ সম্মেলনে প্রায় ৬০ দেশের নেতা ও কর্মকর্তারা অংশ নেন। ছবি: রয়টার্স
কাতারে সাম্প্রতিক ইসরায়েলি বিমান হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব ও মুসলিম দেশগুলো। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দোহায় অনুষ্ঠিত আরব-ইসলামিক সম্মেলনের যৌথ ঘোষণায় এই হামলাকে “আঞ্চলিক শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য বড় ধাক্কা” হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
ঘোষণায় সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পুনর্বিবেচনার পাশাপাশি এর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়, “ইসরায়েল কাতারে কাপুরুষোচিত ও বেআইনি হামলা চালিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক শান্তি প্রচেষ্টাকে দুর্বল করছে।” একইসঙ্গে কাতারের সংযমী ও নীতিগত অবস্থানের প্রশংসা জানানো হয়।
এর আগের দিন রবিবার দোহায় অনুষ্ঠিত আরব ও ইসলামিক পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে বলা হয়েছিল, কাতারের নিরাপত্তা আরব ও মুসলিম বিশ্বের সামগ্রিক নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ। তারা ইসরায়েলের হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার জন্য বিপজ্জনক হুমকি হিসেবে আখ্যা দেন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি বলেন, সম্মেলনের সিদ্ধান্ত আরব-ইসলামিক বিশ্বের ঐক্য ও সংহতির প্রতিফলন। তিনি ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে “রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদ” হিসেবে আখ্যা দিয়ে জানান, সোমবারের জরুরি সম্মেলনে রবিবারের বৈঠকে গৃহীত খসড়া বিবৃতি চূড়ান্ত করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, গত ৯ সেপ্টেম্বর দোহায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাবিত গাজা যুদ্ধবিরতি আলোচনায় অংশ নিতে বসা হামাস নেতাদের টার্গেট করে ইসরায়েলি বিমান হামলা চালায়। ইসরায়েল দাবি করে, তারা “নির্ভুলভাবে” হামাস নেতৃত্বকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। তবে হামাস বলেছে, এ হামলা প্রমাণ করে নেতানিয়াহুর সরকার সমঝোতা চায় না; বরং সব উদ্যোগ ভণ্ডুল করতে চাইছে।
দোহায় আবাসিক ভবনে চালানো ওই হামলার নিন্দা জানিয়েছে জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ।
সূত্র: আল-জাজিরা।