প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ১০:৪০ এএম
ছবি: সংগৃহীত
ভারতের আসামের শিলচরের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এনআইটি)-তে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাঁচ বাংলাদেশি শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ।
গত ১২ সেপ্টেম্বর তাদের হোস্টেল থেকেও বের করে দেওয়া হয়। কলেজ প্রশাসন জানিয়েছে, দ্রুতই তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে।
প্রতিষ্ঠানটির সূত্রে জানা যায়, ৯ সেপ্টেম্বর রাতে এই সংঘর্ষ ঘটে। অভিযোগ, বাংলাদেশি তৃতীয় বর্ষের কয়েকজন শিক্ষার্থী একই দেশের ফাইনাল বর্ষের ছাত্রদের ওপর লোহার রড, ছুরি ও স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে হামলা চালায়। প্রায় অর্ধঘণ্টাব্যাপী চলা এই ঘটনায় অন্তত দুজন গুরুতর আহত হন এবং তাদের মাথায় সেলাই করতে হয়। আহতদের শিলচর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, অভিযুক্তরা প্রথমে নিজেদের ব্যাচের ছাত্রদের আক্রমণ করে। পরে সিনিয়ররা বিষয়টি মীমাংসা করতে এগিয়ে গেলে তাদের আলোচনার নামে ডেকে নিয়ে হঠাৎ আলো নিভিয়ে অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ চালানো হয়।
ঘটনার তদন্ত শেষে এনআইটির পরিচালক অধ্যাপক দিলীপ কুমার বৈদ্য বলেন, আমরা পর্যাপ্ত প্রমাণ পেয়েছি যে পাঁচজন শিক্ষার্থী সরাসরি সহিংসতায় জড়িত ছিল। তাই তাদের দুটি সেমিস্টারের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছে। যেহেতু এই সময়ে তারা ক্লাস করতে পারবে না, তাই বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা সবাই ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) বৃত্তিতে এনআইটিতে পড়াশোনা করছিলেন। তদন্তে তাদের কক্ষে মাদকদ্রব্য ও অস্ত্রও পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
তবে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কোনো এফআইআর দায়ের করা হয়নি। এনআইটির ডিন অব স্টুডেন্টস ওয়েলফেয়ার এস.এস. ধর বলেন, আমরা অভ্যন্তরীণ তদন্ত করে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছি। আইসিসিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এ সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট হয়েছেন। তাই পুলিশকে জানানো হয়নি।
সূত্র: দ্য হিন্দুস্তান টাইমস।