ট্রাম্প–পুতিন বৈঠক
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ আগস্ট ২০২৫ ০৯:০৩ এএম
আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৫ ০৯:৩২ এএম
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (বাঁয়ে) ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
আলাস্কার অ্যানকোরেজে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বহুল আলোচিত বৈঠক। প্রায় তিন ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকে ইউক্রেন যুদ্ধই ছিল আলোচনার কেন্দ্রে। বৈঠককে ‘ইতিবাচক’ এবং ‘ফলপ্রসূ’ বলে অভিহিত করেছেন দুই নেতা। তবে যুদ্ধবিরতি বা শান্তিচুক্তি বিষয়ে কোনো ঘোষণা আসেনি।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৮ মিনিটে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে বৈঠকটি শুরু হয়। আলোচনায় অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ, আর রাশিয়ার পক্ষে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ ও পুতিনের সহকারী ইউরি উশাকভ।
যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, বৈঠকে ‘ব্যাপক অগ্রগতি’ হয়েছে এবং ভবিষ্যতে চুক্তি হওয়ার ভালো সুযোগ রয়েছে। তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন, “চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত কোনো চুক্তি নেই।” চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি ও ন্যাটো মিত্রদের ওপর নির্ভর করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অন্যদিকে পুতিন বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধকে তিনি ‘ট্রাজেডি’ হিসেবে দেখেন এবং এ সংঘাতের স্থায়ী সমাধানের জন্য এর ‘মূল কারণগুলো’ দূর করতে হবে। যদিও তিনি সেসব কারণ বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেননি। একই সঙ্গে তিনি যুক্তরাষ্ট্র–রাশিয়ার সম্পর্ক স্বাভাবিক করার আভাসও দেন এবং বলেন, এ বৈঠক কেবল ইউক্রেন সংকট সমাধানের শুরু নয়, বরং দুই দেশের মধ্যে ব্যবসায়িক ও বাস্তবসম্মত সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের পথও খুলে দিতে পারে।
পুতিন আরও দাবি করেন, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পরিবর্তে ট্রাম্প থাকলে হয়তো তিনি ইউক্রেনে হামলা চালাতেন না।
সংবাদ সম্মেলনের শেষদিকে পুতিন ট্রাম্পকে মস্কোতে পরবর্তী বৈঠকের আমন্ত্রণ জানান। ট্রাম্পও এ প্রস্তাবে আগ্রহ প্রকাশ করেন। তবে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দেননি দুই নেতা।
সূত্র: সিবিএস