× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ নির্মাণে ভারতের উদ্বেগের তোয়াক্কা করছে না চীন

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০২৫ ১৫:০৩ পিএম

ব্রহ্মপুত্রে বাঁধ নির্মাণে ভারতের উদ্বেগের তোয়াক্কা করছে না চীন

চীন সম্প্রতি তিব্বত ও ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র (তিব্বতে যার নাম ইয়ারলুং জ্যাংপো) নদীর ওপর বিশাল একটি বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প শুরু করেছে। এই প্রকল্পের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় শনিবার, যেখানে উপস্থিত ছিলেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বেইজিং গত ডিসেম্বর মাসে এই বাঁধ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। প্রকল্পটি মূলত চীনের ‘কার্বন নিঃসরণ শূন্য’ লক্ষ্য অর্জন এবং তিব্বতের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। চীনা সংবাদ সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, বাঁধটি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হবে, যা একদিকে তিব্বতের স্থানীয় চাহিদা মেটাবে এবং অন্যদিকে অন্যান্য অঞ্চলেও সরবরাহ করা হবে।

এই প্রকল্পে প্রায় ১.২ ট্রিলিয়ন ইউয়ান বা ১৬৭.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে মোট পাঁচটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, একবার সম্পূর্ণ হলে এটি ইয়াংসি নদীর ওপর নির্মিত থ্রি গর্জেস ডামকেও ছাড়িয়ে যাবে, যা বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ প্রকল্প।

এই প্রকল্প ভারতের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে ভারত জানায়, তারা এই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজনে তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় চীনকে সতর্ক করেছে যেন উজানে নির্মিত বাঁধের কারণে নিম্নপ্রবাহের দেশগুলোর—বিশেষ করে ভারত ও বাংলাদেশের—স্বার্থ ক্ষুণ্ণ না হয়।

অন্যদিকে, চীন দাবি করেছে যে এই প্রকল্পে নিম্নপ্রবাহে কোনো ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে না এবং তারা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখবে।

তবে শুধু কূটনৈতিক নয়, পরিবেশগত দিক দিয়েও এই প্রকল্প নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন পরিবেশবিদরা। তারা বলছেন, হিমবাহ-নির্ভর এবং পরিবেশগতভাবে সংবেদনশীল তিব্বত অঞ্চলে এ ধরনের বৃহৎ বাঁধ প্রকল্প জলবায়ু পরিবর্তন, নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ, জীববৈচিত্র্য এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর দীর্ঘস্থায়ী ও অপূরণীয় প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ কমিয়ে দেওয়া বা বর্ষাকালে হঠাৎ করে পানি ছেড়ে দেওয়া হলে ভারত ও বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন-জীবিকা, কৃষিকাজ ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়তে পারে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা