প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৯ জুলাই ২০২৫ ১৪:৫০ পিএম
বাংলাদেশ ১৫ শতাংশ শুল্ক দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানি করে আসছে। চলতি বছর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন ৩৫ শতাংশ বাড়তি শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর হবে। হাতে মাত্র ২২ দিন বাকি। এই সময়ে আলোচনা সফল না হলে বাংলাদেশকে বাড়তি শুল্ক গুণতে হবে।
গত ২ এপ্রিল ট্রাম্প প্রশাসন অতিরিক্ত ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল, যা কমিয়ে ৩৫ শতাংশে আনা হয়েছে। এর ফলে ১ আগস্ট থেকে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর মোট শুল্ক দাঁড়াবে ৫০ শতাংশ,অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কম থাকলেও ৩৫ শতাংশ শুল্ক ‘ন্যায্য নয়’। বাংলাদেশি বাণিজ্য প্রতিনিধিরা যুক্তরাষ্ট্রে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও ট্রাম্পকে চিঠি দিয়েছেন, শুল্ক স্থগিত রাখার আবেদন জানিয়ে।
বাংলাদেশের পক্ষে আলোচনায় শেখ বশিরউদ্দীনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে। তারা আশা করছেন আলোচনায় ফল মিলবে। তবে আলোচনা ব্যর্থ হলে ৩৫ শতাংশ শুল্ক বহাল থাকবে, যা রপ্তানিনির্ভর অর্থনীতির জন্য বড় ধাক্কা হবে,বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৮৪ শতাংশ আসে তৈরি পোশাক থেকে, যা যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়। গত বছর বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ৭৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশ বিভিন্ন পণ্য আমদানিতে শুল্ক ও কর কমানোর চেষ্টা করছে। বিশেষ করে তুলা আমদানিতে সুবিধা দেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। বিশ্ববাজারে ভারত, চীন ও পাকিস্তান বাংলাদেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে বেশি সুবিধা পাচ্ছে। তাই বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পকে শক্ত প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে।