প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ ডিসেম্বর ২০২২ ০৯:০৮ এএম
আপডেট : ১০ ডিসেম্বর ২০২২ ০৯:২৮ এএম
ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি; সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইরানকে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ উন্নত সামরিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগ করেছে। ইউক্রেনে ইরানের ড্রোন দিয়ে মস্কোর হামলার করার মধ্য দিয়ে দুই দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গভীর হওয়ার বিষয়েও সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন।
আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, শুক্রবার (৯ ডিসেম্বর) গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযোগ আনা হয়েছে বলে জানান হোয়াইট হাউজ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের মুখপাত্র জন কিরবি।
তিনি বলেন, মস্কো তেহরানকে 'নজিরবিহীন পর্যায়ের সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে, যা তাদের সম্পর্ককে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিরক্ষা অংশীদারিত্বে রূপান্তরিত করছে।'
ওয়াশিংটন এর আগেও ওই দুই দেশের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতার নিন্দা জানিয়েছে। কিন্তু শুক্রবার মস্কো, তেহরানের মধ্যে আরও বিস্তৃত সামরিক সহায়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে যার মধ্যে অত্যাধুনিক হেলিকপ্টার, ফাইটার জেটসহ ড্রোনের মতো সরঞ্জাম রয়েছে। তবে এসব সরঞ্জামের ওপর নতুন নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
কিরবি বলেন, রাশিয়া ও ইরান ইউক্রেন সংঘাতের জন্য রাশিয়ায় একটি ড্রোন অ্যাসেম্বলি লাইন স্থাপনের কথা ভাবছে। অন্যদিকে মস্কো তেহরানের পাইলটদের সুখোই সু-৩৫ যুদ্ধবিমানের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বছরের মধ্যেই এসব যুদ্ধবিমানের চালান পেয়ে যাবে ইরান।
যুদ্ধবিমানগুলো ইরানের বিমান বাহিনীকে তার আঞ্চলিক প্রতিবেশীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী করবে বলেও মন্তব্য করেন কিরবি।
এর আগে ইউক্রেন যুদ্ধে তেহরান মস্কোকে ড্রোন সহায়তা দিচ্ছে বলে অভিযোগ আনে পশ্চিমারা। তাদের দাবি, ইউক্রেনের শক্তি ও জ্বালানি অবকাঠামোজুড়ে ইরানের ড্রোন ব্যবহার করে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
কিরবি জানান, যুক্তরাষ্ট্র এসব 'ইরানি ড্রোন অধিগ্রহণ ও ব্যবহারে সক্রিয় তিনটি রাশিয়া ভিত্তিক সংস্থাকে নিষেধাজ্ঞা দেবে।' ওই সংস্থাগুলো হলো, রাশিয়ার মহাকাশ বাহিনী, ৯২৪তম স্টেট সেন্টার ফর ম্যানডেড এভিয়েশন এবং মিলিটারি ট্রান্সপোর্ট এভিয়েশন কমান্ড।
গত মাসে তেহরান স্বীকার করেছিল যে, তারা রাশিয়ায় ড্রোন পাঠিয়েছিল। কিন্তু তাদের দাবি, মস্কোর ইউক্রেন আক্রমণের আগে তারা এসব ড্রোন সরবরাহ করেছিল।