প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৩১ মে ২০২৫ ১২:২৭ পিএম
ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য কর্ণাটকে চলতি মে মাসে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়েছে তা গত ১২৫ বছরের রেকর্ড ভেঙে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারমাইয়াহ। রাজ্যের কোনো একটি বা দুই-তিনটি এলকায় অতিরক্ত বৃষ্টিপাত হয়েছে এমন নয়। কর্ণাটক রাজ্যে মোট জেলার সংখ্যা ২৮টি। সাধারণত মে মাসে যে পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়, চলতি বছরের মে মাসে প্রতিটি জেলায় তার চেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে।
শুক্রবার রাজধানী বেঙ্গালুরুতে রাজ্যের সব জেলার ডেপুটি কমিশনার ও জেলা পঞ্চায়েতের (জেলা পরিষদ) চেয়ারম্যানদের সঙ্গে পরিস্থিতি পর্যালোচনা সংক্রান্ত বৈঠকে এ তথ্য জানিয়েছেন সিদ্দারমাইয়াহ। এরই মধ্যে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি তহবিল গঠন করেছে কর্ণাটকের রাজ্য সরকার। ক্ষয়ক্ষতির শিকার সবাই যেন ক্ষতিপূরণ পায় সে লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিতে ডেপুটি কমিশনার ও জেলা পঞ্চায়েতপ্রধানদের নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
বৈঠকে সিদ্দারমাইয়া বলেন, ‘আবহাওয়ার কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা প্রদানের জন্য অর্থের ঘাটতি নেই। স্টেট ডিজাস্টার রেসপন্স ফান্ড বা এসডিআরএফ তহবিলে ১ হাজার কোটিরও বেশি রুপি আছে। আমরা চাই এ অর্থ যেন অপচয় না হয় এবং কোনো ক্ষতিগ্রস্ত যেন বঞ্চিত না হয়।’
অতিমাত্রায় বর্ষণ ও ভূমিধসের কারণে কর্ণাটকের বেশ কয়েকটি এলাকায় ভূমিধসের ঘটনা ঘটেছে। ফলে অনেকেরই বাড়িঘর ভেঙে গেছে। অনেকের বাড়িঘর নিশ্চিহ্নও হয়ে গেছে।
এ বিষয়ে সিদ্দারমাইয়াহ জানান, বৃষ্টি বা ভূমিধসের কারণে যারা বাড়িঘর হারিয়েছেন তাদের প্রত্যেককে জরুরিভিত্তিতে ১ লাখ ২০ হাজার করে রুপি সহায়তা প্রদান করা হবে।