প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ মার্চ ২০২৫ ১৭:২১ পিএম
আপডেট : ১০ মার্চ ২০২৫ ১৯:১৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার চলমান শুল্ক বিরোধ নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কানাডা থেকে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্যের ওপর ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়ার পর, কানাডার অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
প্রতিবাদ হিসেবে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোও পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছেন। তিনি ৩০ বিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের মার্কিন পণ্যের ওপর সমপরিমাণ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ট্রুডো বলেছেন, ‘আমরা পিছু হটব না, বরং আমেরিকান পণ্য বর্জন করব। কানাডিয়ান জনগণ ইতোমধ্যে প্রতিরোধ শুরু করেছে।’
এই সিদ্ধান্তের প্রভাবে কানাডার বাজারে মার্কিন পণ্যের চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে কমতে শুরু করেছে। দেশটির বিভিন্ন প্রদেশের নেতারা জনগণকে স্থানীয় পণ্য ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন, যার ফলে সুপারমার্কেট ও খুচরা দোকানগুলোতে আমেরিকান পণ্যের বিক্রি কমেছে। বিশেষ করে প্রসাধনী, যন্ত্রপাতি, টায়ার, ফল এবং ওয়াইনের মতো পণ্য বিক্রিতে এ প্রবণতা স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্র আপাতত কিছু কানাডিয়ান পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ ৩০ দিনের জন্য স্থগিত করেছে। তবে, কানাডা তাদের আরোপিত শুল্ক বহাল রেখেছে এবং নতুন দফার শুল্ক কার্যকর করার সিদ্ধান্ত সাময়িকভাবে স্থগিত রেখেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, এই শুল্ক যুদ্ধ দীর্ঘমেয়াদে উভয় দেশের বাণিজ্য ও অর্থনীতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। ব্যবসায়ীরা অস্থিরতা অনুভব করছেন এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্ক নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার এই বাণিজ্য উত্তেজনা কতদূর গড়াবে, তা এখনই বলা কঠিন।