প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৫ ০৯:৩১ এএম
আপডেট : ০৬ মার্চ ২০২৫ ১১:৩৬ এএম
ছবি : সংগৃহীত
ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে আরও ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এর ফলে অবরুদ্ধ এ উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪৮ হাজার ৪৫০-এ পৌঁছেছে।
দীর্ঘ ১৫ মাসের বেশি সময় পর জানুয়ারিতে ফিলিস্তিনের গাজায় কার্যকর হয়েছে যুদ্ধবিরতি চুক্তি। তবে এর পর থেকেই সেখানে ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে একের পর এক উদ্ধার হচ্ছে লাশ। আর এতে বেড়েই চলেছে প্রাণহানির সংখ্যা।
বুধবার (৫ মার্চ) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা আনাদোলু।
বার্তা সংস্থাটি বলছে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্যকর্মী ও উদ্ধারকর্মীরা গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে আরও ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। এর ফলে ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের গণহত্যামূলক যুদ্ধে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে ৪৮ হাজার ৪৫০-এ পৌঁছেছে বলে বুধবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি গোলাবর্ষণে গত ৪৮ ঘণ্টায় চারজন ফিলিস্তিনি এবং আগে আহত আরেক ফিলিস্তিনি মারা গেছেন এবং তারাও প্রাণহানির এ সংখ্যার মধ্যে রয়েছেন। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে ইসরায়েলি আগ্রাসনে আহত হয়েছেন আরও প্রায় ১ লাখ ১১ হাজার ৮৪৫ জন। অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে থাকলেও উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।
গাজায় ১৯ জানুয়ারি থেকে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে। তিন পর্যায়ের এ যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যে বন্দিবিনিময় এবং স্থায়ী শান্তি, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি এবং গাজা থেকে ইসরায়েলি বাহিনী প্রত্যাহারের লক্ষ্যমাত্রাও রয়েছে।
মূলত গাজায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব থাকা সত্ত্বেও ইসরায়েল দীর্ঘদিন ধরে অবরুদ্ধ এ ভূখণ্ডে তার নৃশংস আক্রমণ অব্যাহত রেখেছিল।
জাতিসংঘের মতে, ইসরায়েলের বর্বর আক্রমণের কারণে গাজার প্রায় ৮৫ শতাংশ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছিল। এ ছাড়া অবরুদ্ধ এ ভূখণ্ডের ৬০ শতাংশ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইসরায়েল ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গণহত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছে।