প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ ১৫:৩০ পিএম
আপডেট : ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ ১৫:৩০ পিএম
সুদানের দারফুর অঞ্চলে চালু থাকা একমাত্র হাসপাতালে নৃশংস হামলায় প্রায় ৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। ছবি : সংগৃহীত
সুদানের দারফুর অঞ্চলের অবরুদ্ধ শহর এল ফাশেরে চালু থাকা একমাত্র হাসপাতালে হামলা হয়েছে। নৃশংস এ হামলায় প্রায় ৭০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গেব্রিয়েসুস রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেছেন। তিনি সৌদি টিচিং ম্যাটারনাল হাসপাতালে হামলার ঘটনাকে ‘আতঙ্কজনক’ বলে বর্ণনা করেছেন।
পোস্টে টেড্রোস বলেন, ‘হাসপাতালটি রোগীতে পূর্ণ থাকা অবস্থায় হামলাটি চালানো হয়েছে। এতে ১৯ জন আহত হয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি জানান, আল মালহার নামে আরও একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা এই বর্বরোচিত হামলার জন্য সুদানের সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গৃহযুদ্ধে লিপ্ত থাকা আধাসামরিক গোষ্ঠী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে (আরএসএফ) দায়ী করেছেন।
২০২৪ সালের মে মাস থেকে এল ফাশের অবরোধসহ সংঘাতের সময় অসংখ্য নৃশংস ঘটনার জন্য আরএসএফকে দায়ী করা হয়।
চলমান সংঘাতের কারণে শহরটির প্রায় ১০ লাখেরও বেশি বেসামরিক নাগরিকরা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। তারা মাসের পর মাস সহিংসতা ও নিপীড়ন সহ্য করে চলেছেন।
২০২৩ সালের এপ্রিলে শুরু হওয়া এই সংঘাতে ২৮ হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। লাখ লাখ লোক তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছে। উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া জাতিগত আফ্রিকান গোষ্ঠীগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
আন্তর্জাতিক মধ্যস্থতা ও নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও লড়াই অব্যাহত রয়েছে। ডাব্লুএইচও এবং অন্যান্য বিশ্ব সংস্থাগুলো স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা এবং বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
জরুরি ভিত্তিতে সুদানে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপরও জোর দিয়েছেন তারা।