প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১০:৫২ এএম
আপডেট : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১১:২০ এএম
নেটজারিম করিডোরের একটি উপগ্রহ চিত্র। ছবি : সংগৃহীত
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার নেটজারিম করিনডোর এলাকায় কে সবচেয়ে বেশি ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করতে পারে তার প্রতিযোগিতা করে দখলদার ইসরায়েলি সেনারা। বৃহস্পতিবার (১৯ ডিসেম্বর) হারেৎজ পত্রিকার প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরা এ বিষয়ে জানিয়েছে।
গাজায় যুদ্ধ করা ইসরায়েলি সেনারা হারেৎজ পত্রিকাকে জানিয়েছেন, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী নেটজারিম করিডোরকে ‘হত্যার এলাকা‘ (কিল জোন) হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
২৫২ ডিভিশনের একজন কমান্ডার হারেৎজকে বলেছেন, ‘যুদ্ধক্ষেত্রে অবস্থানরত বাহিনী একে ‘মৃতদেহের সারি’ বলে ডাকে। এ অঞ্চলে গোলাগুলির পর ফিলিস্তিনিদের মরদেহ সংগ্রহ করা হয় না। যা মরদেহ খেতে আসা কুকুরের দলকে আকৃষ্ট করে। গাজার মানুষ জানে, যেখানেই আপনি এ কুকুরগুলো দেখবেন, সেখানে আপনার যাওয়া অবশ্যই উচিত নয়।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ইসরায়েলি সেনাটি হারেৎজকে আরও জানিয়েছেন, ওই এলাকায় প্রবেশকারী যে-কাউকে হত্যা করার আদেশ জারি করা হয়েছে। আর সে আদেশ শিশুসহ যেকোনো বেসামরিক নাগরিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তা ছাড়া কে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করতে পারে তা দেখার জন্য ইসরায়েলি সেনারা প্রতিযোগিতা করে।
সম্প্রতি ডিভিশন ২৫২ থেকে অব্যাহতি পাওয়া একজন সেনা কর্মকর্তা পত্রিকাটিকে বলেছেন, ‘আমরা সেখানে বেসামরিক লোকদের হত্যা করছি যাদের পরে সন্ত্রাসী হিসেবে গণনা করা হচ্ছে। হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্রের ঘোষণা এটিকে ইউনিটগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতায় পরিণত করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি ৯৯ ডিভিশন ১৫০ জনকে হত্যা করে, তাহলে এর পরবর্তী ইউনিটের লক্ষ্য থাকে ২০০ জন।’
সূত্র : আলজাজিরা