× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

বাশারের পতন

প্রবা প্রতিবেদন

প্রকাশ : ০৯ ডিসেম্বর ২০২৪ ১০:১১ এএম

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের একটি বুলেট-চালিত প্রতিকৃতি দেখানো হয়েছে; যা হামার পৌরসভা ভবনকে শোভা করছে সরকার বিরোধী যোদ্ধারা শহরটি দখল করার পরে এটি বিকৃত হয়ে গেছে। ছবি : সংগৃহীত

সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের একটি বুলেট-চালিত প্রতিকৃতি দেখানো হয়েছে; যা হামার পৌরসভা ভবনকে শোভা করছে সরকার বিরোধী যোদ্ধারা শহরটি দখল করার পরে এটি বিকৃত হয়ে গেছে। ছবি : সংগৃহীত

প্রায় ১৩ বছরের রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে টিকে থাকা সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের শেষ পর্যন্ত পতন হলো বিদ্রোহীদের নতুন অভিযানের মাত্র ১২ দিনের মধ্যে। লৌহমুষ্টিতে দুই যুগ সিরিয়া শাসন করা বাশার রবিবার রাজধানী দামেস্ক ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। এরপর নতুন যুগের সূচনার ঘোষণা দিয়ে বিদ্রোহীরা বলেছে, ‘নতুন সিরিয়া’ হবে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের স্থান, যেখানে ন্যায়বিচারের জয় হবে এবং সব সিরিয়ানের মর্যাদা রক্ষা করা হবে। প্রতিশোধ না নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে তারা। সরকারবিরোধীদের এ নাটকীয় সাফল্যের পেছনে ইসরায়েলের হাত আছে কি না, এ নিয়ে আলোচনা রয়েছে। গাজা ও লেবাননে তাণ্ডব চালানো ইসরায়েলি সৈন্যরা গতকালই সিরীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে। বাশারের ঘনিষ্ঠ মিত্র রাশিয়া ও ইরান তার পতন নিয়ে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি। বিরোধী পক্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, পরিস্থিতির দিকে গভীর নজর রাখছে তারা। বিশ্লেষকরা বলছেন, বাশারের পতনের মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষমতার ভারসাম্যে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। 

গত আগস্টে ছাত্র-জনতার এক নজিরবিহীন গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হেলিকপ্টারে করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছিলেন। এর মাত্র চার মাসের মধ্যেই দ্বিতীয় কোনো শাসককে একই পরিণতি ভোগ করতে হলো। এর আগে ২০২২ সালের জুলাইয়ে জনরোষের মুখে বিমানযোগে দেশত্যাগ করে মালদ্বীপে গিয়ে ওঠেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। দেড় দশকের শাসনামলে ফ্যাসিস্ট হয়ে ওঠা শেখ হাসিনা পালিয়ে পাশের দেশে আশ্রয় পেলেও সিরীয় স্বৈরশাসক বাশার দেশত্যাগ করে কোথায় গেছেন তা জানা যায়নি। তিনি কার্যত নিখোঁজ। তাকে বহনকারী ব্যক্তিগত বিমান দুর্ঘটনার শিকার হয়ে তিনি মারা গেছেন এমন ইঙ্গিত দিয়েছে আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যম। তবে নিশ্চিত করে জানা যায়নি কিছুই। তার পরিবার কোথায় তাও জানা যায়নি। লুটপাট হয়েছে তার বাসভবনে। ভাঙা হয়েছে তার বাবা সাবেক প্রেসিডেন্ট হাফিজ আল-আসাদের কয়েকটি ভাস্কর্য। এদিকে, তার প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ গাজি আল-জালালি হাত মিলিয়েছেন বিদ্রোহীদের সঙ্গে, বলেছেন তাদের সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত। অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

‘নতুন যুগের সূচনা’

২০০০ সালের জুলাই মাসে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেন বাশার আল-আসাদ। একই সময়ে তিনি বাথ পার্টির নেতা ও সামরিক বাহিনীর প্রধানের দায়িত্বও নেন। তিউনিসিয়া, মিসর, লিবিয়াসহ মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে পশ্চিমা মদদে শুরু হওয়া ‘আরব বসন্তের’ ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে বাশারের বিরুদ্ধে জোরালো আন্দোলনে নামে সরকারবিরোধীরা। তিনি কঠোরভাবে তা দমন শুরু করলে আন্দোলন গড়ায় গৃহযুদ্ধে। এরপর থেকেই দেশটিতে রক্তক্ষয়ী লড়াই চলছিল। বাশারের পক্ষে ছিল রাশিয়া ও চীন। বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর পক্ষে ছিল যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমারা। চার বছর ধরে মনে করা হচ্ছিল, সিরিয়ার যুদ্ধ হয়তো শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু বিশ্ববাসীর মনোযোগ হারানো এ গৃহযুদ্ধে নাটকীয় গতি আসে গত নভেম্বরের শেষ দিকে। নতুন করে অভিযানে নামে বিদ্রোহী গোষ্ঠী হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস)। এর মাত্র ১২ দিনের মাথায় পতন ঘটে বাশারের শাসনের। এর মধ্য দিয়ে দেশটিতে আল-আসাদ পরিবারের ৫৩ বছরের শাসনেরও অবসান ঘটে। বাশারের বাবা হাফিজ আল-আসাদ ২৯ বছর দেশটি শাসন করেন। তার মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসেন যুক্তরাজ্যে চিকিৎসা পেশায় থাকা বাশার আল-আসাদ। সরকার পতনের পর এইচটিএস তাদের টেলিগ্রাম হ্যান্ডেলে বলেছে, এর মাধ্যমে একটি অন্ধকার যুগের অবসান ঘটল এবং একই সঙ্গে এক নতুন যুগের সূচনা ঘটেছে। 

এদিকে প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের পতনের পর এক সংক্ষিপ্ত বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের হোয়াইট হাউস বলেছে, ‘প্রেসিডেন্ট বাইডেন এবং তার দল সিরিয়ার নজিরবিহীন এই ঘটনা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে এ বিষয়ে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রাখছে।’

আসাদের ভাগ্যে কী ঘটেছে

ফ্লাইট রাডার ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, দামেস্ক থেকে সিরীয় একটি উড়োজাহাজ উড়াল দেয় প্রায় একই সময়ে যখন বিদ্রোহীরা দামেস্কের দখল নিচ্ছে বলে খবর আসছিল। উড়োজাহাজটি প্রথমে সিরিয়ার উপকূলীয় এলাকার দিকে উড়ে যায়, এই এলাকায় আসাদের শিয়া আলিউইতি সম্প্রদায়ের শক্ত অবস্থান আছে। কিন্তু ওই দিকে যাওয়ার পর উড়োজাহাজটি আকস্মিকভাবে পুরোপুরি বিপরীত দিকে ঘুরে গিয়ে কয়েক মিনিট ধরে উড়ে চলে, তারপর মানচিত্র থেকে উধাও হয়ে যায়। সিরিয়ার এই উপকূলীয় এলাকায় আসাদের মিত্র রাশিয়ার একটি নৌ ও বিমান ঘাঁটি আছে। ওই উড়োজাহাজে কে ছিল তা তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে সিরিয়ার সেনাবাহিনীর দুই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, রবিবার স্থানীয় সময় ভোরে উড়োজাহাজে দামেস্ক ছেড়েছেন আসাদ। 

বাশারের পতনের খবর শুনে রাস্তায় বেরিয়ে আসে সাধারণ নাগরিকরা। দামেস্কে অবস্থিত আসাদের বাসভবনে ঢুকে পড়ে কিছু মানুষ। এ সময় অনেকেই জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে বাশারের পতনে নেতৃত্ব দেওয়া বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এভাবে লুটপাট গ্রহণযোগ্য নয় বলেও জানিয়েছে তারা। এদিকে দামেস্কে কারফিউ জারি করেছে বিদ্রোহীরা। সেখানে গোলাগুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে।

সরকার পতনের নেতৃত্বে এইচটিএস

গত ২৭ নভেম্বর এইচটিএসের নেতৃত্বে সিরিয়ার বিদ্রোহী গোষ্ঠী হঠাৎ দেশটির সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করে। দুর্বার গতিতে তারা দেশটির দ্বিতীয় বড় শহর আলেপ্পোর দখল নিয়ে নেয়। এরপর তারা একের পর এক শহর দখল করে রাজধানীর দিকে অগ্রসর হওয়া শুরু করে। অভিযান শুরুর মাত্র ১২ দিনের মাথায় রাজধানী দামেস্ক দখল করে তারা। নভেম্বরের শেষ দিকে তারা উত্তরাঞ্চলীয় শহর আলেপ্পোর নিয়ন্ত্রণ নেয়, এরপর একে একে আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ শহর হামা ও হোম বিদ্রোহীদের কব্জায় চলে আসে। একে একে চারটি মূল শহর দখলের পর অনেকটা বিনাযুদ্ধেই রাজধানী দামেস্কের দখল নেয় তারা। 

অন্যদিকে সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে জর্ডান সীমান্তের কাছে স্থানীয় বিদ্রোহীরা দেরা অঞ্চলের দখল নেয়। বাশারবিরোধী বিদ্রোহের জন্ম হয়েছিল এই অঞ্চল থেকেই। বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে, বিদ্রোহীদের অভিযানের মুখে বেশিরভাগ স্থানেই সরকারি বাহিনী তাদের অবস্থান ছেড়ে চলে গেছে, নয়তো বিদ্রোহীদের সঙ্গে যোগ দিয়েছে।

এইচটিএসকে আগে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছিল জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক এবং আরও কয়েকটি দেশ। এইচটিএসের জন্ম ২০১১ সালে, জাবহাত আল-নুসরা নামে, যাদের সরাসরি সংযোগ ছিল আল-কায়েদার সঙ্গে। জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) স্বঘোষিত নেতা আবু বকর আল-বাগদাদি জড়িত ছিলেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠায়। বাশাল আল-আসাদ বিরোধী সংঘাতে জাবহাত আল-নুসরাকে সবচেয়ে কার্যকর এবং ভয়ঙ্কর সংগঠন হিসেবে মনে করা হয়।

২০১৬ সালে সংগঠনটির নেতা আবু মোহামেদ আল-জাওলানি প্রকাশে আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন এবং জাবহাত আল-নুসরা বিলুপ্ত করেন। পরে তিনি নতুন সংগঠন গড়ে তোলেন, যেটি এক বছর সমমনা আরও কয়েকটি বিদ্রোহী দলের সঙ্গে একীভূত হয়। বিদ্রোহীদের এই জোটই হায়াত তাহরির আল-শাম নামে পরিচিত। আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পর থেকে এইচটিএসের এর লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় সিরিয়ায় বৃহত্তর খিলাফতের পরিবর্তে মৌলবাদী ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করা। আইএসও একই চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে।

বাশারের পলায়নের পর সরকারি রেডিও ও টেলিভিশন ভবন দখল করে নেয় বিদ্রোহীরা। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সরকারি সেনাদের সরিয়ে নেওয়ার পর সেই স্থাপনাও দখলে নিয়েছে তারা। প্রেসিডেন্ট বাশার চলে যাওয়ার পর বিমানবন্দর থেকে সরকারি বাহিনী সরিয়ে নেওয়া হয়। রাজধানীর সবচেয়ে বড় কারাগার সেদনায়া থেকে হাজার হাজার বন্দিকে মুক্ত করেছে বিদ্রোহীরা। এদিকে দামেস্কের উপকণ্ঠে বাশারের প্রয়াত বাবা দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট হাফেজ আল-আসাদের একটি মূর্তি ফেলে দিয়ে সেটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। জনতা দামেস্কেও হাফিজের আরেকটি ভাস্কর্য ভেঙে ফেলে। 

৫০ বছর পর সিরিয়ায় ইসরায়েলি ট্যাংক

প্রেসিডেন্ট বাশারের পলানয়নের পর সিরীয় ভূখণ্ডে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করার ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। গতকাল ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর এই ঘোষণার পরপরই ১৯৭৪ সালের পর প্রথমবারের মতো সীমান্ত অতিক্রম করে সিরিয়ার ভূখণ্ডে প্রবেশ করে ইসরায়েলি যুদ্ধ ট্যাংক। এর আগে, ইসরায়েলের প্রবাসবিষয়ক মন্ত্রী আমিচাই চিকলি বলেন, ইসরায়েল অবশ্যই ১৯৭৪ সালের যুদ্ধবিরতি সীমারেখার ভিত্তিতে নতুন প্রতিরক্ষা সীমান্ত স্থাপন করবে। আর এই সীমান্ত রেখা হবে দখলকৃত গোলান মালভূমি থেকে হারমন পর্বত পর্যন্ত।

১৯৬৭ সালে সিরিয়ার গোলান মালভূমির বেশিরভাগ অংশ দখল করে ইসরায়েল। পরবর্তী সময়ে ইসরায়েলি বাহিনী পুরো গোলান মালভূমির দখল নেয় ১৯৮১ সালে। বাশার সরকারের পতনের পর নেতানিয়াহু বলেন, তিনি সেনাবাহিনীকে ইসরায়েল-অধিকৃত ও সিরিয়া-নিয়ন্ত্রিত গোলান মালভূমির মাঝে অবস্থিত জাতিসংঘের টহল দেওয়া বাফার জোন দখল করার নির্দেশ দিয়েছেন।

বিদেশনির্ভরতাই কাল হলো

২০১১ সালে সরকারবিরোধী সংঘাত শুরুর পর ধীরে ধীরে সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে শত শত বিদ্রোহী উপদল গড়ে ওঠে। বিভিন্ন বিদেশি শক্তিও এসব উপদলের পক্ষ নিতে শুরু করে এবং আইএস ও আল-কায়েদার মতো চরমপন্থি জিহাদি সংগঠনগুলো সিরিয়ার সংঘাতে জড়িত পড়ে। ধীরে ধীরে সহিংসতা বাড়তে থাকলে একটা পর্যায়ে পুরোপুরি গৃহযুদ্ধের মধ্যে ঢুকে যায় দেশটি। এতে ৫০ লাখের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে, যাদের মধ্যে প্রায় ৫০ লাখ শরণার্থী বা বিদেশে আশ্রয়প্রার্থী হয়েছে।

বিদ্রোহীদের দমনে প্রেসিডেন্ট বাশার নিজের দুর্বল সেনাবাহিনীর ওপর নির্ভর করতে পারেননি। তিনি রাশিয়ার বিমান শক্তি এবং স্থলভাগে ইরানের সামরিক সাহায্য, বিশেষ করে হিজবুল্লাহর মতো ইরান সমর্থিত মিলিশিয়াদের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিলেন। ফলে দুর্বল সেনাবাহিনী নিয়ে যুদ্ধ করাটা প্রেসিডেন্টের জন্য বিপদ ডেকে আনে এবং নিয়মিতভাবে সরকারি বাহিনী বিদ্রোহীদের আক্রমণের বিরুদ্ধে অবস্থান ধরে রাখতে ব্যর্থ হতে থাকে।

গত কয়েক মাসে ইসরায়েল ইরান সমর্থিত সশস্ত্র দলগুলো এবং তাদের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর হামলা জোরদার করেছে। ইসরায়েলের এসব হামলায় সিরিয়ায় হিজবুল্লাহসহ মিলিশিয়াদের নেটওয়ার্ক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণে হিজবুল্লাহর শক্তি ক্ষয়, সিরিয়ায় ইরানের সামরিক কমান্ডারদের ওপর ইসরায়েলি হামলা ইদলিবের বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোকে আলেপ্পোতে আকস্মিক হামলা চালাতে উৎসাহ জুগিয়েছে। আসাদের পতনের পর সিরিয়ার বিভিন্ন শহর থেকে হিজবুল্লাহ বাহিনী তাদের সৈন্য প্রত্যাহার করে নেয়।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা