প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ নভেম্বর ২০২৪ ০৯:৪০ এএম
আপডেট : ১১ নভেম্বর ২০২৪ ১১:০১ এএম
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি : সংগৃহীত
রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করে দ্রুত সমাধানে আগ্রহী ট্রাম্প, নির্বাচনের আগেই তা জানা গিয়েছিল। অনেকেই মনে করছেন, জো বাইডেন প্রশাসনের মতো ট্রাম্প কোটি কোটি ডলার দিয়ে ইউক্রেনকে যুদ্ধে সহায়তা করবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন। ট্রাম্প পুতিনকে ইউক্রেন যুদ্ধ যেন আর না বাড়ে সে পরামর্শ দিয়েছেন। রবিবার (১০ নভেম্বর) এক সূত্র রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। সূত্র জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ইউক্রেন ত্যাগ না করার জন্য ট্রাম্পকে অনুরোধ করার পরিকল্পনা করছেন।
সোমবার (১১ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।
সূত্র জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোয় ট্রাম্প ও পুতিন কথা বলছেন। ট্রাম্প ইউক্রেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ও আর্থিক সহায়তার সমালোচনা করেছেন, কীভাবে দ্রুত যুদ্ধ শেষ করা যায় সে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ট্রাম্প ও পুতিনের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়ে তারা এখনও কিছু জানেন না। ইউক্রেন ইস্যুতে কোনা কিছু জানানো হয়নি।
‘আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এবং অন্যান্য বিশ্বনেতার মধ্যকার ব্যক্তিগত বিষয়ে মন্তব্য করি না’ ট্রাম্পের যোগাযোগ পরিচালক স্টিভেন চেউংক এমনটা জানান।
৫ নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসকে পরাজিত করার পর রিপাবলিকান ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। বাইডেন বুধবার ট্রাম্পকে ওভাল অফিসে আসার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জেক সুলিভান বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে বাইডেন ক্ষমতা হস্তান্তর নিশ্চিত করার পর, তিনি ইউরোপ, এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যে কী ঘটছে সে সম্পর্কে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
সুলিভান সিবিএসকে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট বাইডেন আগামী ৭০ দিনের মধ্যে কংগ্রেস এবং আগত প্রশাসনের কাছে মামলা করার সুযোগ পাবেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যেন ইউক্রেন থেকে সরে না আসে, সরে যাওয়া মানে ইউরোপে আরও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করা।’
সুলিভান এমন সময় মন্তব্য করেছেন যখন ইউক্রেন রবিবার ৩৪ ড্রোন হামলা চালিয়েছে মস্কোয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এটাই রাশিয়ায় করা বড় ড্রোন হামলা।
বাইডেন কংগ্রেসকে ইউক্রেনের জন্য আরও তহবিল অনুমোদনে আইন পাস করতে বলবেন কি না প্রশ্নে সুলিভান বলেন, ‘আমি এখানে একটি সুনির্দিষ্ট আইনি প্রস্তাব পেশ করতে আসিনি। প্রেসিডেন্ট বাইডেন তার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও ইউক্রেনের জন্য আমাদের চলমান সম্পদের প্রয়োজন আছে বলে মামলা করবেন।’