× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ইউক্রেন যুদ্ধ চাঙা করেছে পূর্ব ইউরোপের অস্ত্র ব্যবসা

প্রবা ডেস্ক

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২২ ১২:৪০ পিএম

আপডেট : ২৫ নভেম্বর ২০২২ ১৪:০১ পিএম

ছবি; সংগৃহীত

ছবি; সংগৃহীত

গত ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের নামে শুরু করা রাশিয়ার হামলা এখনও চলমান রয়েছে। উভয় দেশই তাদের মিত্রদেশগুলো থেকে সহায়তা নিচ্ছে যুদ্ধে একে অপরকে ঘায়েল করার জন্য। তবে পূর্ব ইউরোপের অস্ত্র সহায়তার ওপর ভর দিয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেন। যার কারণে পূর্ব ইউরোপের ওই দেশগুলোর অস্ত্র ব্যবসা এখন বেশ চাঙা হয়ে উঠেছে।

পূর্ব ইউরোপের অস্ত্রশিল্প যেমন বন্দুক, গোলাবারুদ ও অন্যান্য সামরিক সরবরাহ, এমন পরিমাণে বাড়ছে যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কখনও দেখা যায়নি। রাশিয়ার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনকে সহায়তার জন্য এ অঞ্চলগুলোর সরকারপ্রধানের এমন প্রচেষ্টা বলে অভিমত বিশ্লেষকদের।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক আগ্রাসন শুরু পর থেকে কিয়েভ মিত্ররা তাদের অস্ত্র ও সামরিক সহায়তা দিয়ে আসছে।

কিল ইনস্টিটিউট ফর ট্র্যাকিং দ্য গ্লোবাল ইকোনমির তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ২৪ জানুয়ারি থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ইউক্রেনে সবচেয়ে বেশি সামরিক সহায়তা দিয়েছে। কিয়েভকে তৃতীয় সর্বোচ্চ সামরিক সহায়তাকারী দেশ পোল্যান্ড। আর এ ধারাবাহিকতার চেক প্রজাতন্ত্রের অবস্থান নবম। তাদের এমন সমরাস্ত্র সহায়তার কারণে পুরো পূর্ব ইউরোপের অস্ত্র ব্যবসা রমরমা বাজার তৈরি করেছে।

আবার রাশিয়ার বিষয়ে সতর্ক থাকলেও ওয়ারশ চুক্তিভুক্ত কয়েকটি দেশও ইউক্রেনকে সহায়তা করতে দেখা যায়।

তবে রয়টার্সকে সাক্ষাৎকার দেওয়া প্রায় এক ডজন সরকারি কর্মকর্তা, সংস্থা এবং বিশ্লেষকরা বলেছেন, রাশিয়ার এ আগ্রাসন এই অঞ্চলের অস্ত্রশিল্পের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করেছে।

পোলস্কা গ্রুপ জব্রোজেনিওয়া (পিজিজেড) পোল্যান্ডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেবাস্তিয়ান চোয়ালেক বলেন, ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের বাস্তবতা ও বিভিন্ন দেশের  প্রতিরক্ষা বাজেটের ক্ষেত্রে ব্যয় বাড়ানোর প্রতি মনোযোগ লক্ষ করা যাচ্ছে। যা থেকে বোঝা যায় এ যুদ্ধ দেশগুলোকে অস্ত্রের নতুন বাজারে প্রবেশ এবং পরবর্তী বছরগুলোতে রপ্তানি আয় বাড়ানোর একটি বাস্তব সুযোগ রয়েছে।

রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন পিজিজেড অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরি করে এমন ৫০টিরও বেশি কোম্পানিকে নিয়ন্ত্রণ করে। তারা সাঁজোয়াযান থেকে শুরু করে মনুষ্যবিহীন বিমান ব্যবস্থা পর্যন্ত তৈরি করে থাকে। আরও ডজনখানেক প্রতিষ্ঠানের অংশীদারিত্ব আছে পিজিজেডে।

চোয়ালেক বলেন, তারা আগামী দশকে ১৮০ কোটি ডলার পর্যন্ত বিনিয়োগ করার পরিকল্পনা করছে, যা যুদ্ধের আগের লক্ষ্যমাত্রার দ্বিগুণেরও বেশি। তবে এক্ষেত্রে পোল্যান্ডে সীমান্তবর্তী রাশিয়ার মিত্র বেলারুশের নিরাপত্তার বিষয়টিও গুরুত্বসহকারে দেখা হচ্ছে।

এদিকে অন্যান্য দেশের মতো পোল্যান্ড, স্লোভাকিয়া, চেক প্রজাতন্ত্রও অস্ত্র উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ক্ষমতা বাড়াচ্ছে। এমনকি অস্ত্র উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো কর্মী নিয়োগেও তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে।

রুশ বাহিনীর হামলার পরপরই কিছু পূর্ব ইউরোপীয় সেনাবাহিনী ও নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ইউক্রেনকে সহায়তার জন্য তাদের সোভিয়েত যুগের অস্ত্র ও গোলাবারুদের গুদাম খালি করতে শুরু করে। কারণ কিয়েভ তখন পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোর কাছ থেকে ন্যাটোর মানসম্মত সামরিক সরঞ্জামের অপেক্ষায় ছিল।

এ অস্ত্রের মজুদ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্র উৎপানকারীরা সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পুরোনো ও আধুনিক উভয় সরঞ্জামের উৎপাদন বাড়িয়ে দেয় কয়েকগুণ। এসব অস্ত্রের সরবরাহ ইউক্রেনকে রুশ বাহিনীকে পিছু হটাতে এবং বিস্তীর্ণ অঞ্চল পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করেছিল।

চোয়ালেক আরও বলেন, পিজিজেড ২০২৩ সালে ১ হাজার পোর্টেবল পিওরুন ম্যানপ্যাড আকাশ নিরাপত্তা ব্যবস্থা তৈরি করবে। তবে এর সবটাই ইউক্রেনের জন্য নয়। ২০২২ সালে ৬০০ এবং আগের বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০ পিওরুন ম্যানপ্যাড তৈরি করেছিল পিজিজেড।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা