প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ১১:৩৬ এএম
আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৪ ১৩:১০ পিএম
খাবার সংগ্রহের জন্য বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে আছে। গাজার জাবালিয়া শরণার্থী শিবির থেকে তোলা। ছবি : সংগৃহীত
গাজায় মানবিক ত্রাণ সহায়তার প্রবেশাধিকার জোরদার করতে ইসরায়েলকে ৩০ দিনের সময় দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অন্যথায় কিছু সামরিক সহায়তা পাঠানো বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়ে ইসরায়েলকে একটি চিঠি পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১৬ অক্টোবর) সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে।
রবিবার ইসরায়েলকে চিঠিটি পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এটিই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তার মিত্ররাষ্ট্র ইসরায়েলকে পাঠানো সবচেয়ে শক্তিশালী লিখিত সতর্কবার্তা।
সম্প্রতি অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর নতুন সামরিক অভিযানে বিপুলসংখ্যক বেসামরিক নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছে। আর ইসরয়েলি হামলায় এ হতাহতের ঘটনাগুলো কেন্দ্র করেই চিঠিটি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজায় মানবিক পরিস্থিতির অবনতিতে যুক্তরাষ্ট্রের গভীর উদ্বেগ রয়েছে। গত মাসে ইসরায়েলি বাহিনী উত্তর ও দক্ষিণের মধ্যে প্রায় ৯০ শতাংশ মানবিক সহায়তার চলাচল হয় প্রত্যাখ্যান করেছে নয় বাধা দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিনের বরাত দিয়ে এক্সিওস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামরিক সহায়তার আইনি পদক্ষেপ এড়াতে ইসরায়েলকে অবশ্যই গাজায় মানবিক পরিস্থিতির উন্নয়নে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে এক সংবাদ সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার চিঠির প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এটি একটি ব্যক্তিগত (যুক্তরাষ্ট্রের) কূটনৈতিক যোগাযোগ। যা আমরা জনসমক্ষ্যে প্রকাশ করতে চাইনি।’
রবিবার (১৩ অক্টোবর) ইসরায়েলি প্রতিপক্ষের কাছে লেখা চিঠিতে ব্লিঙ্কেন ও অস্টিন লিখেছেন, তারা গাজার মানবিক পরিস্থিতির অবনতিতে যুক্তরাষ্ট্র্র্রের সরকারের গভীর উদ্বেগের ওপর জোর দেওয়ার জন্য চিঠিটি লিখেছেন। আর এ পরিস্থিতির উন্নতির জন্য এই মাসে ইসরায়েলি সরকারের জরুরি ও টেকসই পদক্ষেপ দেখতে চান তারা।
যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তনের সুপারিশগুলো ইসরায়েল দ্রতই নিশ্চিত করবে বলে আশা করছেন মিলার।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পাঠানো চিঠি প্রসঙ্গে একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইসরায়েল চিঠিটি পর্যালোচনা করছে। চিঠির বিষয়টিকে তারা গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে। আর তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মিলে ‘উত্থাপিত উদ্বেগগুলো সমাধান করতে’ ইচ্ছুক।