প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০১ অক্টোবর ২০২৪ ১৭:০৬ পিএম
আপডেট : ০১ অক্টোবর ২০২৪ ১৭:৩১ পিএম
দুর্ঘটনায় পুড়ে যাওয়া বাস। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) থাইল্যান্ড থেকে তোলা। ছবি : সংগৃহীত
থাইল্যান্ডে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বহনকারী একটি বাসে আগুন লেগেছে। এতে অন্তত ২২ শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষক নিহত হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) এ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
উত্তরাঞ্চলীয় উথাই থানি প্রদেশের একটি স্কুল ফিল্ড ট্রিপ থেকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের নিয়ে নিয়ে ফিরছিল বাসটি। পথিমধ্যে দেশটির রাজধানী ব্যাংককের একটি মহাসড়কে যাওয়ার সময় বাসটির একটি টায়ার বিস্ফোরিত হয়। এরপর বাসটি রাস্তার পাশের বেড়ায় গিয়ে ধাক্কা খায়। যার ফলে এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দেশটির পরিবহনমন্ত্রী সুরিয়া জংরুংগ্র্যাংকিট জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটিতে ৩৮ জন শিক্ষার্থী ও ছয়জন শিক্ষক ছিলেন। ১৬ জন শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষক বাসটি থেকে বের হয়ে আসতে পেরেছেন। কিন্তু ২২ জন শিক্ষার্থী ও তিনজন শিক্ষক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।
থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বাস দুর্ঘটনার ফলে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তবে এর সঠিক সংখ্যা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
জংরুংগ্র্যাংকিট বলেছেন, ‘এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা।’
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি থেকে বের হতে পারা ১৯ জনের মধ্যে আটজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, বাসটি গরম হওয়ায় তদন্তকারীরা এর ভিতরে ঢুকতে পারছিলেন না।
উদ্ধার অভিযানের নেতৃত্বদানকারী পিয়ালাক থিঙ্কিয়ু বলেছেন,‘আমরা যে মরদেহগুলো খুঁজে পেয়েছি সেগুলোর মধ্যে কয়েকটা খুব, খুব ছোট ছিল। বাচ্চাদের সহজাত প্রবৃত্তি হলো পিছনে গিয়ে লুকানো। তাই বাচ্চাদের মরদেহগুলো আমরা বাসের পিছনের দিকেই পেয়েছি।’
থিঙ্কিয়ু জানিয়েছেন, নিহতদের মরদেহ এত বেশি পুড়ে গিয়েছে যে তা শনাক্ত করা কঠিন।
থাইল্যান্ডের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুল ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, বাসটিরচালক পালিয়ে গিয়েছেন। তবে তাকে যে খুঁজে বের করা হবে, কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী।