প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১২:৩৯ পিএম
আপডেট : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ১৩:২১ পিএম
ইসরায়েলি সেনাবহিনীর গুলিতে নিহত আয়েশেনুর এজগি ইগি। ছবি : সংগৃহীত
অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের অবৈধ ইহুদি বসতি সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারী এক তুর্কি-আমেরিকান তরুণীকে মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে ইসরায়েলি সেনারা। শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনাটি ঘটেছে বলে ফিলিস্তিন ও তুরস্কের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
নিহত তরুণীর নাম আয়েশেনুর এজগি ইগি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, আয়েশেনুরের মৃত্যুতে তারা গভীরভাবে মর্মাহত। একই সঙ্গে এ ঘটনা তদন্তের জন্য ইসরায়েলকে আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে তুরস্কের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘তার মাথায় গুলি করা হয়েছে। আর তার মৃত্যুর জন্য ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকার দায়ী।’
ফিলিস্তিনের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২৬ বছর বয়সি ইগি যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলের বাসিন্দা। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের দ্বৈত নাগরিক।
সম্প্রতিই তিনি সিয়াটলের ওয়াশিংটন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রেসিডেন্ট আনা মারি কাউস এক বিবৃতিতে তার মৃত্যুর খবরকে ‘ভয়াবহ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘অন্য শিক্ষার্থীদের ওপর ইগির ইতিবাচক প্রভাব ছিল।’
ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একজন পুরুষ সেনাদের দিকে পাথর ছুড়ে তাদের জন্য হুমকি সৃষ্টি করেছিলেন। তাই সেনারা ওই ব্যক্তিকে লক্ষ করে গুলি ছোড়েন। তাদের মতে ওই ব্যক্তিই ‘মূল উস্কানিদাতা’ ছিলেন।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে, ওই এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন বিদেশি নারী নিহত হওয়ার যে খবর পাওয়া গেছে তা ইসরায়েলি সেনাবাহিনী খতিয়ে দেখছে। বিস্তারিত ঘটনা কী ও কোন পরিস্থিতিতে তাকে গুলি করা হয়েছে তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। তবে নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।