আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ০৬ আগস্ট ২০২২ ১১:৩৭ এএম
আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০২২ ১৪:৩০ পিএম
ফাইল ছবি
তাইওয়ানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধি দলের সফরের প্রতিক্রিয়ায় অঞ্চলটিতে ক্রমাগত আক্রমণ চালাচ্ছে চীন। এর মধ্যে শনিবার চীনা সামরিক বাহিনী দ্বীপরাষ্ট্রটির মূল সীমান্তে হামলা দ্বিগুণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে তাইওয়ান।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ উত্তেজনায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হলো জলবায়ু। কারণ, ওয়াশিংটনের সঙ্গে জলবায়ু ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনার কথা থাকলেও চলমান এ উত্তেজনার মধ্যে এসব আলোচনা স্থগিত করেছে বেইজিং।
বিশ্বের অন্যতম বেশি দূষণ সৃষ্টিকারী দুটি দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও চীন জলবায়ু কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করতে একসঙ্গে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তবে তাইওয়ানে দেশটির প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির সফরের পর থেকে এ বিষয়ে অগ্রগতি বেশ নড়বড়ে হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে পেলোসির ওপর নিষেধাজ্ঞাও দিয়েছে বেইজিং।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আজকেও বেইজিং তাইওয়ানের আশেপাশে তাদের সবচেয়ে বড় সামরিক মহড়া পরিচালনা করছে। অবরুদ্ধ করে ফেলা হয়েছে দ্বীপটিকে, যা রীতিমতো আগ্রাসন।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা তাইওয়ান প্রণালিতে বেশকিছু চীনা বিমান ও নৌ-মহড়া পর্যবেক্ষণ করেছে।
বেইজিং বলেছে, তারা শনিবার থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত চীন এবং কোরিয়ান উপদ্বীপের মধ্যে অবস্থিত হলুদ সাগরের দক্ষিণ অংশে একটি সশস্ত্র মহড়া পরিচালনা করবে।
চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সিসিটিভি জানিয়েছে, সামরিক বাহিনীর অনুশীলনের সময় সরাসরি তাইওয়ানের ওপর দিয়ে উৎক্ষেপণ করা হয়েছে চীনা ক্ষেপণাস্ত্র।
তবে তাইপেই এর প্রতিবাদে জানিয়েছে, তারা প্রতিবেশী রাষ্ট্রের হামলায় ভীত নয়।
/এনএস/এমজে/