প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৫ আগস্ট ২০২৪ ২০:১৩ পিএম
সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যস্থতায় গত শনিবার রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধবন্দি বিনিময় ঘটেছে। দুই দেশই ১১৫ জন করে যুদ্ধবন্দি বিনিময় করেছে। ৬ আগস্ট
রাশিয়ার কুরস্কে ইউক্রেনের অভিযানের পর এই প্রথম
বন্দি বিনিময়ের ঘটনা ঘটল।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তরফে বলা হয়েছে, মূলত কুরস্ক অঞ্চল থেকে যেসব
রুশ সেনাকে বন্দি করা হয় তাদের ফিরিয়ে আনা হয়েছে। মুক্তি
পাওয়া সেনাদের সবাই এখন বেলারুশে আছেন। তারা রাশিয়ায় ফেরার পর তাদের প্রথমে
চিকিৎসা দেওয়া হবে ও পরে পুনর্বাসন করা হবে। এই
বন্দি বিনিময়ের ব্যবস্থা করার জন্য রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরব আমিরাতের
প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে।
রয়টার্স জানিয়েছে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট
ভলোদিমির জেলেনস্কি মুক্তি পাওয়া ইউক্রেনীয় বন্দিদের একটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে
পোস্ট করেছেন। তাতে দেখা যায়, তারা ইউক্রেনের জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে একে অন্যের
সঙ্গে কোলাকুলি করছেন। তিনি জানান, যেসব সেনা ফিরে এসেছেন
তারা সীমান্তরক্ষা বাহিনী,
ন্যাশনাল গার্ড, নৌবাহিনী ও সশস্ত্র বাহিনীর
সদস্য।
ইউক্রেনের মানবাধিকার কমিশনার দিমিত্রো লুবিনেটস জানান, যারা
ফিরে এসেছেন তাদের মধ্যে ৮২ জন ২০২২ সালে মারিউপোল বন্দরের দখল ধরে রাখার জন্য
লড়াই করেছিলেন।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুদ্ধবন্দি
বিনিময়ে ব্যবস্থা করার কথা নিশ্চিত করে জানিয়েছে, তারা মধ্যস্থতার
প্রচেষ্টা শুরু করার পর থেকে দুই দেশের মধ্যে বিনিময় করা যুদ্ধবন্দির সংখ্যা এখন ১
হাজার ৭৮৮ জনে দাঁড়িয়েছে। রাশিয়া ইউক্রেনে আক্রমণ শুরু করার পর থেকে এ নিয়ে আরব
আমিরাতের মধ্যস্থতায় সপ্তমবারের মতো লড়াইরত দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবন্দি বিনিময় হলো। সংযুক্ত আরব আমিরাত যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা মিত্র হলেও রাশিয়ার সঙ্গে
উষ্ণ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। এতে পশ্চিমা অনেক কর্মকর্তাই হতাশ হয়েছেন বলে জানাচ্ছে
রয়টার্স।