প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০২৪ ১০:২৮ এএম
আপডেট : ০৭ জুলাই ২০২৪ ১২:০৭ পিএম
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হওয়া জাতিসংঘের স্কুলটির সামনে জড়ো হয়েছে ফিলিস্তিনিরা। শনিবার (৬ জুলাই) মধ্য গাজার নুসেইরাত শরণার্থী শিবির থেকে তোলা। ছবি : সংগৃহীত
অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার মধ্যাঞ্চলে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে জাতিসংঘ পরিচালিত একটি স্কুলে ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছে। এতে স্কুলটিতে আশ্রয় গ্রহণকারী ফিলিস্তিনিদের অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ৭৫ ফিলিস্তিনি। রবিবার (৭ জুলাই) আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদ সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, শনিবার ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান আল-গাউনি স্কুলকে লক্ষ্য করে হামলা করেছে। সেখানে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। এতে ১৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। আহতদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। গত ৭ অক্টোবর গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা শুরু হওয়ার পর এ নিয়ে দুইবার স্কুলে বোমা হামলা করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েলি হামলার পর গাজা উপত্যকার আল-আকসা শহীদ হাসপাতাল ও অন্যান্য হাসপাতালে বিপুলসংখ্যক নিহত ও আহত ফিলিস্তিনিকে আনা হয়েছে। বেডের অভাবে শিশুদের মেঝেতেই চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামলা চালায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। এতে প্রায় ১ হাজার ২০০ জন নিহত হয়। আহত হয় ৪ হাজারের মতো। হামাস জিম্মি করে ২৪০ থেকে ২৫৩ জনকে।
হামাসের হামলার জবাবে ইসরায়েল গাজায় সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু করে। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গাজায় এখন পর্যন্ত ৩৮ হাজার ৯৮ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও ৮৭ হাজার ৭০৫ ফিলিস্তিনি।
এ ছাড়াও ১০ হাজার ফিলিস্তিনি নিখোঁজ রয়েছে। মনে করা হচ্ছে, নিখোঁজ ব্যক্তিরা ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে। আর মরদেহগুলো তাদের বাড়ির ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়ে রয়েছে।
ফিলিস্তিনি ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, আহত ও নিহতদের অধিকাংশই নারী ও শিশু।