প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০২৪ ২১:৩৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
সুদানে চলতি বছর সেপ্টেম্বরের মধ্যে সাড়ে সাত লাখের বেশি মানুষ পড়তে
পারে ‘বিপর্যয়কর খাদ্য সংকটে’। জাতিসংঘের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক বছরে
সুদানে গৃহযুদ্ধে অন্তত ১৪ হাজার মানুষ নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে এক কোটির বেশি
মানুষ।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ গত শুক্রবার আরএসএফকে ওই শহর থেকে অবরোধ
তুলে নিতে বললেও তা পাত্তা দেয়নি আরএসএফ। সুদানের সশস্ত্র বাহিনী প্রবল প্রতিরোধের
ঘোষণা দিয়েছে। এসএএফ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, ব্যর্থ আক্রমণে আরএসএফের শতাধিক সদস্য
হতাহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আলী ইয়াগুব গিবরিল নামে বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ
কমান্ডারও রয়েছেন। কার্যত যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে গেছেন এ বাহিনীর যোদ্ধারা।
জাতিসংঘ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনের আশঙ্কা, আরএসএফ
আল-ফাশের শহরের দখল নিতে পারলে সেখানে জাতিগত নিধন চালাবে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের
সবশেষ প্রস্তাবে সুদানে দ্রুত যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা, বাধাহীনভাবে মানবিক ত্রাণসহায়তা
প্রবেশের সুযোগ দেওয়া ও সব পক্ষকে সুদানের ওপর আরোপ করা অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা মেনে চলার
আহ্বান জানানো হয়। এ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ১৪ জুন সুদানে জরুরি মানবিক সহায়তায় সাড়ে
৩১ কোটি মার্কিন ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। সেই সঙ্গে সতর্ক করে বলেছে, দেশটি
দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে।
সুদানে সবচেয়ে বেশি রক্তক্ষয়ী লড়াই হচ্ছে দারফুর ও কোরদোফান অঞ্চলে। জাতিসংঘে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে তীব্র খাদ্য সংকটে এ দুই অঞ্চলের প্রায় ২৫ লাখ মানুষ মৃত্যুর মুখে পড়তে পারে, যা জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ। স্বাভাবিকভাবেই এটি বিশ্বের সর্ববৃহৎ মানবিক সংকটে রূপ নিতে পারে।
সূত্র: বিবিসি