ফিলিস্তিনে গণহত্যা
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৪ ২৩:১০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায়
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী স্থল, আকাশ ও সমুদ্রসীমা দিয়ে অভিযান চালিয়েছে। মধ্য গাজার
আল নুসেইরাত ক্যাম্পে সম্প্রতি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী এক অভিযান পরিচালনাকালে চার
ইসরায়েলি বন্দিকে উদ্ধার করেছে বলে জানা গেছে।
মধ্য গাজার দেইর আল
বালাহয় অবস্থিত আল নুসেইরাত ক্যাম্পে শনিবার (৮ জুন) আকাশপথে ডজনখানেক রেইড চালানো
হয়। গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২১০। আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় ৪০০ এরও
বেশি মানুষ আহত ও আশ্রয়চ্যুত হয়েছে। আল নুসেইরাত ক্যাম্প বাদে রাফাহ শহরের পশ্চিমের
বাড়িঘরেও হামলা করা হয়েছে। গাজার উত্তরেও বেশ কিছু জায়গায় বোমা হামলা করা হয়।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়
জানিয়েছে, ‘বিশালসংখ্যক’ মানুষ
আহত হয়ে আল আকসা মার্টিয়ার হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আসছেন। নিহতের অধিকাংশই নারী ও
শিশু। খাদ্য ও জ্বালানি সংকট থাকায় বিপুল সংখ্যক আহতদের চিকিৎসা দেয়া কঠিন হয়ে পড়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের
দায়িত্বশীল একজন জানিয়েছেন, মরদেহ উদ্ধারে কাজ চলছে। এখনও অনেক লাশ সড়কে কিংবা ধ্বংসস্তুপে
পড়ে আছে। বোমা হামলায় যোগাযোগ অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। টেলিফোন সংযোগ না থাকায়
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করতে পারছে না। আল নুসেইরাত ক্যাম্পে শরণার্থীদের মধ্যে
আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
ডক্টর উইদাউট বর্ডারের (এমএসএফ) একজন চিকিৎসক ডা. তানিয়া হজ হাসান জানিয়েছেন, আল আকসা মসজিদ রক্তকূপে পরিণত হয়েছে। একে গণহত্যাই বলতে হয়। শিশুদের মাথা থেকে অঝোরে রক্ত ঝরছে কিন্তু চিকিৎসা পাওয়ার সুযোগ নেই। অসংখ্য মানুষ শুধু হাসপাতালের ছাদের নিচে আশ্রয় পেলেই কিছুটা আতঙ্কমুক্ত হতে পারতেন। তাও যেন নেই’।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর উর্ধ্বতন এক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, তারা আল নুসেইরাত ক্যাম্পে জঙ্গী কার্যক্রমের সন্ধান পেয়েই এই অভিযান চালিয়েছে। হামাসের কাছে বন্দি চারজন বন্দিকে উদ্ধার করা হয়েছে।
সূত্র: আল জাজিরা