ফিলিস্তিনে গণহত্যা
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০২৪ ১৬:৩২ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
জো বাইডেন প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন-ইসরায়েল
সংঘাত বন্ধের প্রস্তাবনার বিষয়ে রাশিয়া ও চীন শঙ্কা প্রকাশ করেছে। জাতিসংঘের
নিরাপত্তা পরিষদের এক বৈঠকে ৬ জুন ভেটো ক্ষমতার দুই দেশের কূটনীতিকরা এ বিষয়ে একটি
সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একমাত্র আরব রাষ্ট্র
আলজেরিয়ার প্রতিনিধিও জানিয়েছেন, তারা এখনও এই প্রস্তাবনাকে সমর্থন দেওয়ার অবস্থায়
নেই। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে নিরাপত্তা পরিষদের ৯ সদস্য
বিশেষত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ব্রিটেন, চীন কিংবা রাশিয়ার সমর্থনও
প্রয়োজন।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এক পৃষ্ঠার
প্রস্তাবনা নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন দাবি
করেছে। গত সোমবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তাবনার সারসংক্ষেপ উপস্থাপন করে এবং
প্রস্তাবনা পর্যালোচনা শেষে পরিষদের ১৫ সদস্য বুধবার বৈঠক করেন।
প্রস্তাবনায় তিনটি স্তরে যুদ্ধ বন্ধের
পরিকল্পনা দেওয়া হয়েছে। তবে নিরাপত্তা পরিষদের একাধিক সদস্যের প্রতিনিধিরা কিছু
প্রশ্ন তুলেছেন। তারা জানতে চেয়েছেন, ইসরায়েল পুরোপুরি এই প্রস্তাবনা বাস্তবায়নে
সম্মতি জানিয়েছে কি না।
বৈঠকে রাশিয়ার প্রতিনিধি মার্কিন
যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছেন, হামাস এবং ইসরায়েলের কূটনীতিকদের সংলাপের মাধ্যমে
সমস্যা সমাধান করতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায়
থাকতে পারে। মস্কো প্রশাসন বাইডেনের প্রস্তাবনার প্রতিটি স্তরের পুঙ্খানুপুঙ্খ
বাস্তবায়ন দাবি করেছে। বিশেষত গাজায় মানবিক সহায়তার পথ যেন রুদ্ধ না হয়, সেজন্য
দুই অঞ্চলের মধ্যে সমঝোতা সংলাপ বাড়ানোর তাগাদাও দিয়েছে। বিগত কয়েক মাস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
মিসর এবং কাতার গাজায় যুদ্ধবিরতির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। হামাস জানিয়েছে,
তারা স্থায়ীভাবে যুদ্ধ বন্ধের পক্ষে। তবে গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি সেনাদের প্রত্যাহার
করার আগ পর্যন্ত তারা যুদ্ধ করবে।
এদিকে গতকাল শুক্রবার রাফায় ইসরায়েলি সেনারা স্থল ও আকাশপথে বোমা হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি ট্যাংক ফিলিস্তিনের পশ্চিম সীমান্তের সমুদ্রসৈকতের নিয়ন্ত্রণে অভিযান পরিচালনা করছে। ভোরের আগে হামলায় একাধিক ফিলিস্তিনি নিহত এবং অনেকেই আহত হন।
সূত্র : রয়টার্স, মিডল ইস্ট মনিটর