প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২৪ ১৬:০৯ পিএম
আপডেট : ০৪ জুন ২০২৪ ১৭:২১ পিএম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (বাঁ দিকে) ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। ছবি : সংগৃহীত
পাকিস্তানের ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে ‘আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের’ অভিযোগ তুলেছিল ভারত। এরপর থেকে মোদি সরকার পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনায় বসতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
১৯৪৭ সালে ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীন হয় ভারতীয় উপমহাদেশ। তখন থেকে ভারতীয় উপমহাদেশকে ধর্মের ভিত্তিতে দুই ভাগ করে যায় ব্রিটিশরা। ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট স্বাধীন হয় পাকিস্তান। আর ১৫ আগস্ট স্বাধীন হয় ভারত।
ভারত পাকিস্তান ভাগ হওয়ার পর থেকে তাদের মধ্যে যুদ্ধ লেগেই রয়েছে। কোনো দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধ না হলেও দেখা যায় হঠাৎ হঠাৎ তাদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। আর এ সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে কাশ্মির। প্রায় ৭৭ বছরে দেশ দুটি একে অপরের সঙ্গে মোট তিনটি যুদ্ধে জড়িয়েছে। তা ছাড়া অগণিত ছোট ছোট সংঘর্ষ হয়েছে।
২০১৫ সালে আকস্মিকভাবে পাকিস্তানের লাহর সফরে গিয়েছিলেন মোদি। এই সফরে ভারত-পাকিস্তানের অহি-নকুল সম্পর্কে কিছুটা পরিবর্তন এসেছিল। কিন্তু ২০১৯ সালে যখন নয়াদিল্লি ভারত-শাসিত কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে দেয় তখন আবারও ভারত-পাকিস্তানের সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
তবে তৃতীয়বারের মতো মোদি জিতে গেলে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের টানাপড়েন কিছুটা কমলে কমতেও পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। চলতি বছরের মার্চে শাহবাজ শরিফ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। মোদি তাকে প্রধানমন্ত্রিত্বে ফিরে আসার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছিলেন। এটি প্রতিদ্বন্দ্বী দুই পারমাণবিক অস্ত্রধারী শক্তির মধ্যে শুভেচ্ছা বিনিময়ের এক বিরল ঘটনা। আর এজন্যই তৃতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির আগমন ঘটলে তা দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কের ফাটল কিছুটা জোড়া লাগানোর আশা জাগিয়েছে।
মোদি জিতে গেলে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের টানাপড়েন ঘুচতে পারে বলে ধারণা করা হলেও আদৌ তা ঘুচবে কি না তা সময়ই বলে দেবে।
সূত্র : আলজাজিরা