প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ জুন ২০২৪ ২০:৪৪ পিএম
আপডেট : ০৩ জুন ২০২৪ ২২:০৮ পিএম
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রধান ইমরান খান সাইফার কেস বা কূটনৈতিক বার্তা বিষয়ক মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন।
সোমবার (৩ জুন) এ রায় দিয়েছেন ইসলামাবাদ উচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতি বিচারক আমির ফারুক এবং বিচারক মিয়াগুল হাসান।
রায়ের পর দেশটির রাজধানীতে বিজয় মিছিল করেছে পিটিআইয়ের নেতাকর্মীরা। রায়ে খালাস পেয়েছেন দলের সহসভাপতি শাহ মাহমুদ কুরেশিও।
পিটিআই চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গোহার আলী খান বলেন, ২০২২ সালের মার্চে যে বিতর্ক শুরু হয়েছিল সেই ভিত্তিহীন মামলা আজ শেষ হলো। এ মামলার কারণে পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা ১০ মাস ধরে জেলে ছিলেন।
তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান খুব শিগগিরই কারাগার থেকে মুক্ত হবেন।
উচ্চ আদালতের ওই রায়ের পর পাঞ্জাবের বিধানসভায় পিটিআই-সমর্থিত আইনপ্রণেতারাও স্লোগান দিয়েছেন। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনে তারা ডেস্ক চাপড়িয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।
জিওনিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কূটনৈতিক নথিপত্রের অপব্যবহার এবং মিসপ্লেসের অভিযোগ থেকে শীর্ষ নেতারা খালাস পাওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে সাবেক ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে সাইফার কেস মামলায় ইমরান খান ও শাহ মাহমুদ কুরেশিকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ওয়াশিংটনে নিয়োজিত পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ইসলামাবাদে সরকারের কাছে গোপনীয় তারবার্তা পাঠিয়েছিলেন বলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান প্রকাশ্যে দাবি করেন। এর আগে ১৫ মে ন্যাশনাল ক্রাইম এজেন্সি সেটেলমেন্ট রেফারেন্সে ১৯ কোটি পাউন্ডের বিনিময়ে ইমরানের জামিন আবেদন অনুমোদন করে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট।