প্রবা ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ অক্টোবর ২০২২ ১২:২০ পিএম
আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০২২ ১৩:৩৭ পিএম
ইন্টারনেটে অপরাধী ও হ্যাকারদের দৌরাত্ম্য যেমন বাড়ছে, তেমনি বিষয়গুলো নিয়ে কাজের গতিও বাড়িয়েছে বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। তবে সাধারণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের মধ্যে একটি ধারণা রয়েছে যে অ্যাপল স্টোর ও প্লেস্টোরের আপ্লিকেশনগুলো ঝুঁকিমুক্ত। আদ্যপে থার্ড পার্টি এপিকে অ্যাপগুলোর মতো ঝুঁকি রয়েছে এই দুই প্ল্যাটফর্মের অ্যাপ্লিকেশনগুলোতেও।
সম্প্রতি ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার প্রযুক্তি নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা অ্যান্ড্রয়েড ও আইওএস প্ল্যাটফর্মের ৪০২ ক্ষতিকারক অ্যাপ্লিকেশন শনাক্ত করেছেন। এর মধ্যে প্লেস্টোরের অ্যাপ ৩৫৫টি ও আইওএসের অ্যাপ ৪৭টি।
এসব অ্যাপ্লিকেশন ফেসবুক লগইন থেকে তথ্য চুরি করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
শুক্রবার মেটার পক্ষ থেকেই এমনটা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দ্য হ্যাকার নিউজ।
অভিযুক্ত অ্যাপ্লিকেশনগুলো গুগল প্লেস্টোর এবং অ্যাপলের অ্যাপ স্টোরে ফটো এডিটর, গেমস, ব্যবসায়িক কাজের সুবিধার অ্যাপ্লিকেশন ও অন্যান্য ইউটিলিটি অ্যাপ হিসেবে ছদ্মবেশ নিয়ে তালিকাভুক্ত হয়ে তথ্য চুরির কাজ করত।
তবে কোন কোন দেশ থেকে এই অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনা করা হতো তা জানায়নি মেটা। যদিও এরই মধ্যে দুই প্ল্যাটফর্ম থেকে অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
তথ্য চুরিতে জড়িত অ্যাপগুলোর মধ্যে ৪২.৬ শতাংশ ফটো এডিটরের, ব্যবসা উপযোগিতা সংক্রান্ত অ্যাপ ১৫.৪ শতাংশ, ইউটিলিটি সংক্রান্ত অ্যাপ ১৪.১ শতাংশ, গেমস ১১.৭ শতাংশ, ভিপিএন অ্যাপ ১১.৭ শতাংশ এবং লাইফস্টাইল অ্যাপ ৪.৪ শতাংশ।
অথচ এই ডাটা চুরির দায়ে অভিযুক্ত অ্যাপগুলোই মেটা ও ফেসবুকের সাবসিডিয়ারি বিজ্ঞাপন ম্যানেজার টুল ব্যবহার করত। অর্থাৎ তথ্য চুরির পাশাপাশি মেটা থেকেই তারা বিজ্ঞাপন দেখানো বাবদ অর্থ পেত।
এই অ্যাপগুলো ব্যবহারের শর্তই ছিল ফেসবুক দিয়ে লগইন করতে হবে। ফলে তারা সহজেই ব্যবহারকারীর ডাটা পেয়ে যেত।
মেটা বলছে, লগইনের এক্সেস পেয়ে গেলে একজন ব্যক্তির সম্পূর্ণ তথ্য পাওয়া সম্ভব। এমনকি ইনবক্সের মেসেজও হস্তক্ষেপ করা সম্ভব।
মেটা-মালিকানাধীন হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজিং অ্যাপের জাল সংস্করণ বের করে ১০ লাখেরও বেশি গ্রাহককে রেজিস্ট্রেশন করায় চীন ও তাইওয়ানভিত্তিক তিনটি প্রতিষ্ঠান। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে মামলা করেছে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা।
প্রবা