প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০৭ পিএম
জিএসআইএমএএল এর উদ্বোধন। ছবি: ভিডিও থেকে
মিডিয়া ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সাক্ষরতাকে নাগরিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে গ্লোবাল সাউথ ইনিশিয়েটিভ ফর মিডিয়া অ্যান্ড এআই লিটারেসি (GSIMAL)।
এআই-নির্ভর যুগে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর বিশেষ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ করাই এ উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য শুক্রবার ভার্চুয়ালি এই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও জিএসআইএমএএল-এর কো-অর্ডিনেটর ড. নাসরিন পারভিন বলেন, “এআই-নির্ভর ভুয়া তথ্য ও বিভ্রান্তি সমাজে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করছে”।
তিনি মিডিয়া ও এআই সাক্ষরতাকে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানের মূল বক্তব্যে বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ বলেন, “বাংলাদেশের অনেক নিউজরুম এখনো এআই প্রযুক্তি ব্যবহারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে”।
তিনি শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য GSIMAL-কে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন।
ইউনিভার্সিটি অব নেব্রাস্কা, ওমাহার অধ্যাপক ড. লি গুয়ো বলেন, “এই উদ্যোগ গ্লোবাল সাউথের কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক এস কে তৌফিক এম. হক বলেন, বিকল্পধারার গণমাধ্যম ক্রমেই শিক্ষার্থীদের তথ্য পাওয়ার প্রধান উৎসে পরিণত হচ্ছে”।
এসময় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান অনুষদের অধ্যাপক ড. বুলবুল সিদ্দিকী নির্বাচনের সময় ডিপফেক ও ভুয়া তথ্যের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করেন।
জিএসআইএমএএল-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ও উপদেষ্টা ড. হারিছুর রহমান বলেন, “মিডিয়া ও এআই ব্যবস্থাপনায় নাগরিকদের অর্থবহ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের অন্যতম লক্ষ্য। লজিক লেন্সের প্রতিষ্ঠাতা জ্যাকব অ্যান্ডারসন বলেন, সঠিক ব্যবহারে এআই যেমন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করে, তেমনি ভুল ব্যবহারে তা হুমকিও হয়ে উঠতে পারে”।
সবশেষ জিএসআইএমএএল-এর প্রতিষ্ঠাতা সাকির মোহাম্মদ বলেন, “মিডিয়া ও এআই-এর সামাজিক প্রভাব নিয়ে আলোচনা এখন আর ঐচ্ছিক নয়”।
তিনি সংগঠনটির স্বেচ্ছাসেবাভিত্তিক ও স্বল্প ব্যয়ভিত্তিক কার্যক্রমের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন GSIMAL-এর যুব আউটরিচ ও ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর তাসমিম আলম রুপন্তী।