প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৪ ২১:১৬ পিএম
অপফর্ম নাকি নিয়তিÑ নুরুল হাসান সোহান কোন বেড়াজালে বন্দি! ২০২২ সালের জিম্বাবুয়ে সফরে ছিলেন জাতীয় দলের অধিনায়ক। অষ্টম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সহ-অধিনায়ক। আর নবম সংস্করণে দলের বাইরে। নাম নেই রিজার্ভ বেঞ্চেও। জীবনের এমন কঠিন সন্ধিক্ষণে ধৈর্যতেই সমাধান খুঁজছেন সোহান।
আট বছরের লম্বা ক্যারিয়ারে মাত্র ৪৬ টি-টোয়েন্টি খেলেছেন সোহান। এই সংস্করণে তার সবশেষ ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে, ২০২২ সালে। বিপিএল এবং ঘরোয়া লিগে রান পেলেও থেকেছেন টিম ম্যানেজমেন্টে আলোচনার ধরাছোঁয়ার বাইরে। কী কারণে কিংবা কী ভুলে জাতীয় দলের বাইরে সোহান। হোম অব ক্রিকেট মিরপুর শের-ই-বাংলায় রবিবার সাংবাদিকরা উইকেটরক্ষক ব্যাটারের কাছে জানতে চান দুর্বলতা প্রসঙ্গে। ডান হাতি ব্যাটারের উত্তর, ‘মানুষ মাত্রই ভুল। শুধু যে আমার ভুলে সব হবে, এমনটাও না। দলের সমন্বয় নির্ভর করে, অনেক পরিস্থিতি থাকে। এখানে ধৈর্য রাখাটা গুরুত্বপূর্ণ।’
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলে রংপুর রাইডার্সের নেতৃত্বে ছিলেন সোহান। ১২৯ স্ট্রাইক রেটে ১৪ ম্যাচে তুলেছেন ২৫১ রান। ডিপিএলে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের জার্সিতে খেলেছিলেন। সেখানে ১৬ ম্যাচে ৮৪.৪৭ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৪৯৫ রান। সোহান বলেন, ‘জাতীয় দল অবশ্যই গর্বের জায়গা। বাইরে থাকাটা পীড়াদায়ক। চেষ্টা থাকবে হারানো জায়গা ফিরে পাওয়ার। ক্রিকেট খেলি জাতীয় দলে খেলার জন্যই। বিপিএল ভালো গেছে, ডিপিএলটাও। সুযোগ কাজে লাগাতে পারছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ।’
শেষের দিকে পাওয়ার হিটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সে বিবেচনায় অনেকটা পিছিয়ে সোহান। স্ট্রাইক রেট জুতসই না হওয়াতে একাধিকবার সমালোচিত হয়েছেন। এ নিয়ে ৩০ বর্ষী সোহান বলেন, ‘বেশিরভাগ যে সুযোগগুলো আসে তা মাথায় রেখে কাজ করলে দলের জন্য অবশ্যই ভালো। কারও ওপর নির্ভর করা ভুল হবে। টি-টোয়েন্টিতে একদিন কেউ ক্লিক করবে আবার আরেক দিন অন্য কেউ। দলের জন্য ওই সময় যতটা অবদান রাখা দরকার সেটাতে মনোযোগ দেওয়া দরকার।’