প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:১১ পিএম
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৮:৫৩ পিএম
কোচের প্রতিদান দিয়েছেন সৌম্য, এবার সেটা ধরে রাখতে চান— পুরোনো ছবি
গত দুবছরে সৌম্য সরকারকে নিয়ে যতটা আলোচনা হয়েছে তার প্রায় পুরোটাতেই ছিল সমালোচনা। হারিয়ে যাওয়া ক্রিকেটারদের তালিকায়ও প্রতিভাবান এ ক্রিকেটারকে রেখে দিয়েছিল অনেকে। এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপসহ বেশ কিছু সিরিজেও দলের বিবেচনায় ছিলেন না বাংলাদেশের তারকা এ ব্যাটার। তবে তার ওপর আস্থা রেখেছিলেন কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। প্রতিদানও দিয়েছেন সৌম্য, এবার সেটা ধরে রাখতে চান।
হাথুরুসিংহে-সৌম্য নাম দুটি বাংলাদেশের ক্রিকেটে যেন ওতপ্রোতভাবে জড়িত। সৌম্যর পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলতে গেলেই চলে আসে লঙ্কান কোচের নাম। ২০১৪ সালে হাথুরু যখন প্রথম মেয়াদে বাংলাদেশের কোচ হিসেবে আসেন, সৌম্যর তখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পথচলা শুরু। এরপর নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আবারও দলে সৌম্য। কিউই সিরিজের প্রথমটিতে বাজে প্রত্যাবর্তনের আগ থেকেই তার দল পাওয়া নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। সৌম্য অবশ্য সেসব নিয়ে ভাবছেন না। ফেরার পর এখন সেটা ধরে রাখতে চান।
হাথুরুসিংহের কোনো টনিকে আগের সৌম্য ফেরত কি না, জবাবে সৌম্য বলেছেন, ‘এ রকম কোনো কিছুই না, সৌম্য সৌম্যই ছিলাম। হয়তোবা সে আমাকে ভালো বুঝে এজন্য ছোট এক জিনিস বলেছে যা আমার জন্য ক্লিক করেছে। আমরা কীভাবে দেখি সেটা বড় বিষয়। একটা মানুষ হেঁটে গেলে তার মধ্যে অনেক নেগেটিভিটি পাবেন। আপনি যদি কেবল নেগেটিভিটি দেখতে চান নেগেটিভিটিই দেখবেন। পজিটিভ চিন্তা করলে পজিটিভ জিনিস পাবেন। হয়তো উনি পজিটিভ জিনিসটাই চিন্তা করেন।’
কঠিন সময়ে পাশে থাকায় সৌম্য যাদের কৃতিত্ব দিলেন, হাথুরুসিংহেও সেখানে অন্যতম, ‘প্রথমত ধন্যবাদ দেব আমার পরিবারকে। আমার স্ত্রীকে। সে সব সময় সমর্থন জুগিয়েছে। আর সতীর্থরা তো আছেই। হাথু আসার পর তার সঙ্গে যতটুকু ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছি সে অনেক সমর্থন জুগাচ্ছে এবং ছোট ছোট জিনিস ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে ভালোর জন্য।’
নেলসনে এক ম্যাচ হাতে রেখে সিরিজ হারার দিনে ১৫১ বলে ২২ চার ও ২ ছক্কায় ১৬৯ রানের ইনিংস খেলে রেকর্ড বই ওলট-পালট করেছেন সৌম্য। তবে দল না জেতায় তার বিস্তর আক্ষেপ, ‘সেঞ্চুরিটা বিফল মনে হচ্ছে। যদি ম্যাচ জিততাম তাহলে ভালো লাগত নিজের কাছে। ব্যক্তিগতভাবে যদি বলেন হ্যাঁ, ভালো লাগছে। কিন্তু দিন শেষে, এটা দলীয় খেলা। দল যদি জিতত তাহলে পরিপূর্ণ হতো, ভালো স্মৃতি থাকত। আমাদের আর্লি কিছু উইকেট চলে গেছে। সেটা যদি না যেত তাহলে হয়তো আমাদের একটা জুটি ওখানে হলে মুশি ভাই বা মিরাজ এসে আগাত। আবার মুশি ভাই বা মিরাজ এসে যখন আউট হয়েছে, তখন আউট না হলে রানটা বাড়তি হতো। আরও ৪০ থেকে ৫০ রান যদি যোগ করতে পারতাম, তাহলে চিত্রটা ভিন্ন হতো। এটা বোধহয় নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রান, কিন্তু মুশি ভাই বা মিরাজ ক্লিক করলে আরও লম্বা হতো।’