প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ আগস্ট ২০২৩ ১১:৫৫ এএম
আপডেট : ১০ আগস্ট ২০২৩ ১২:৩০ পিএম
ক্রীড়াবিদরা তাদের পারফরম্যান্সের মান উন্নত করতে কখনও কখনও অবৈধ পন্থা বেছে নেন। শক্তিবর্ধক ওষুধ সেবন করেন। যা সম্পূর্ণ নিয়মবহির্ভূত। আর এটি ধরতে ডোপ টেস্ট করানো হয়। মূলত, সন্দেহের ভিত্তিতে করা হয় এই টেস্ট। ভারতীয় ক্রিকেটারও নিজেদের পারফরম্যান্সের মান বাড়াতে এটি করেন কি না; এমন সন্দেহ থেকে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত মোট ৫৮ জন ক্রিকেটারের ডোপ টেস্ট করানো হয়েছে। যার মধ্যে সর্বোচ্চ তিনবার ডোপ টেস্ট করানো হয়েছে অলরাউন্ডার রবীন্দ্র জাদেজার। সম্প্রতি এমন তথ্য প্রকাশ করেছে দেশটির ন্যাশনাল অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সি (নাডা)।
নাডার প্রকাশিত তথ্য অনুসারে, এই বছরের প্রথম পাঁচ মাসে ৩ জন নারী ক্রিকেটারসহ মোট ৫৮ জন ক্রিকেটারের ডোপ টেস্ট করা হয়েছে, যার মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি নমুনা ‘আউট অব কম্পিটিশন’ (ওওসি) নেওয়া হয়েছে।
তথ্য, অনুসারে, ২০২১ সালে ৫৪ ও ২০২২ সালে ৬০ জনের ডোপ টেস্ট করানো হয়েছিল। চলতি বছর এরই মধ্যে এই সংখ্যা ছাড়িয়ে যাওয়ার পথে থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছর রেকর্ড পরিমাণ ডোপ টেস্ট দেখবে ভারত।
ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক রোহিত শর্মা এবং ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলিকে অবশ্য এই বছর এখন পর্যন্ত ডোপ টেস্ট করতে হয়নি। গত ২০২১ ও ২০২২ সালেও ডোপ টেস্ট দিতে হয়নি কোহলির। তবে গত বছরগুলোতে তিন বার করে ডোপ টেস্ট দিতে হয়েছিল রোহিতকে। চলতি বছরের এপ্রিলে হার্দিক পান্ডিয়াকেও দিতে হয়েছে ডোপ টেস্ট। তবে এই তালিকায় এ বছর এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশিবার ডোপ টেস্ট করতে হয়েছে জাদেজাকে।
নারী ক্রিকেটারদের মধ্যে এই বছরের প্রথম পাঁচ মাসে, শুধুমাত্র ভারতের অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর এবং তার ডেপুটি স্মৃতি মান্ধানাকে ডোপ টেস্ট দিতে হয়েছে।