মোহাম্মাদ সালাহ। ছবি: আল জাজিরা
বিশ্বকাপে ফিফার ভয়াবহ নিষ্ঠুর আততায়িতায় শিকার হয়েছে কয়েকটি দেশ। ম্যাচ রেফারির ভূমিকা ও ভিএআর সিদ্ধান্ত ঘিরে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
সবশেষ যুক্তরাষ্ট্রের ফরোয়ার্ড ফ্লোরিয়ান বালোগান সরাসরি লাল কার্ড! এ ছাড়া শেষ মুহূর্তে বিতর্কিত পেনাল্টিতে বেলজিয়ামের কাছে ৩-২ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে সেনেগাল। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ১২টায় যুক্তরাষ্ট্রের ডালাস স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে অস্ট্রেলিয়া ও মিসর। শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করতে দুই দলের সামনে এটি ডু অর ডাই ম্যাচ। গ্রুপ পর্বে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের পর এবার ইতিহাস গড়ার লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামছে দুই দল। গ্রুপ ডি থেকে রানার্সআপ হয়ে নকআউটে উঠেছে অস্ট্রেলিয়া। তিন ম্যাচে এক জয়, এক ড্র ও এক হারে তাদের সংগ্রহ ৪ পয়েন্ট। তারা তুরস্ককে ২-০ গোলে হারিয়েছে, স্বাগতিক যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ০-২ ব্যবধানে হেরেছে এবং প্যারাগুয়ের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে। অন্যদিকে গ্রুপ ‘জি’ থেকে অপরাজিত রানার্সআপ হিসেবে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে মিসর। বেলজিয়াম ও ইরানের বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র এবং নিউজিল্যান্ডকে ৩-১ ব্যবধানে হারিয়ে আফ্রিকার দলটি সংগ্রহ করেছে ৫ পয়েন্ট। পরিসংখ্যান বলছে, দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের ইতিহাস খুব বেশি সমৃদ্ধ নয়। এখন পর্যন্ত মাত্র একবার দেখা হয়েছে অস্ট্রেলিয়া ও মিসরের। ২০১০ সালে একটি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে মিসর ৩-০ গোলে জয় পেয়েছিল। ফলে হেড-টু-হেড পরিসংখ্যানে এগিয়ে রয়েছে ফারাওরা। মিসরের সবচেয়ে বড় ভরসা অধিনায়ক মোহামেদ সালাহ। যদিও হ্যামস্ট্রিং চোট কাটিয়ে তার খেলা নিয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা রয়েছে। সালাহ না খেললেও ওমর মারমুশ, ইমাম আশুর ও জিজো আক্রমণভাগে বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারেন। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার আশা তরুণ ফরোয়ার্ড নেস্টরি ইরানকুন্ডা, অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার জ্যাকসন আরভিন এবং রক্ষণভাগের স্তম্ভ হ্যারি সাউটার। সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় মিসর কিছুটা এগিয়ে থাকলেও অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী রক্ষণ ও দ্রুত পাল্টা আক্রমণ ম্যাচটিকে কঠিন করে তুলতে পারে।