প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ৮ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৮ ঘণ্টা আগে
ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ইংল্যান্ড। ছবি: সংগৃহীত
হ্যারি কেইনের প্রথমার্ধের জোড়া গোলে ভর করে শেষ পর্যন্ত ক্রোয়েশিয়াকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল ইংল্যান্ড।
টেক্সাসে বুধবারের ম্যাচে থমাস টুখেলের দল শুরুতে দুই গোলে এগিয়ে গেলেও ক্রোয়েশিয়া দুইবারই সমতায় ফেরে। তবে দ্বিতীয়ার্ধে জুড বেলিংহ্যাম ও বদলি খেলোয়াড় মার্কাস রাশফোর্ডের গোল ইংল্যান্ডকে জয় এনে দেয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে ইংল্যান্ড। ১২ মিনিটে ননি মাদুয়েকেকে বক্সের ভেতরে ফাউল করলে পেনাল্টি পায় তারা। হ্যারি কেইনের প্রথম শটটি গোলরক্ষক ডমিনিক লিভাকোভিচ ঠেকিয়ে দিলেও ভিডিও রিপ্লের পর রেফারি ক্লেমেন্ট তুরপাঁ পুনরায় পেনাল্টি নেওয়ার নির্দেশ দেন। দ্বিতীয় সুযোগে কোনো ভুল না করে দলকে এগিয়ে দেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
এরপরও আক্রমণ চালিয়ে যায় ইংল্যান্ড, তবে ৩৬ মিনিটে মাঝমাঠে বল হারানোর সুযোগ কাজে লাগিয়ে ক্রোয়েশিয়া পেতার সুচিচের দারুণ পাস থেকে মার্টিন বাতুরিনা গোল করে ম্যাচে সমতা ফেরান।
তবে সমতা বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ৪২ মিনিটে ডেকলান রাইসের কর্নার থেকে সম্পূর্ণ ফাঁকায় থাকা কেইন হেডে বল জালে পাঠিয়ে আবারও ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দেন। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপে নিজের গোলসংখ্যা ১০-এ নিয়ে যান তিনি, যা ইংল্যান্ডের হয়ে গ্যারি লিনেকারের সমান সর্বোচ্চ।
কিন্তু প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আবারও রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে ক্রোয়েশিয়াকে ২-২ সমতায় ফেরান পেতার মুসা।
দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর মাত্র দুই মিনিটের মাথায় ডান প্রান্ত দিয়ে দুর্দান্ত দৌড়ে উঠে জুড বেলিংহ্যাম নিচু শটে গোল করে ইংল্যান্ডকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন।
এরপর কেইন, নিকো ও’রেইলি ও বেলিংহ্যাম একাধিক সুযোগ পেলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। ম্যাচের শেষ দিকে ক্রোয়েশিয়া সমতায় ফেরার কয়েকটি সুযোগ তৈরি করলেও ৮৫ মিনিটে মার্কাস রাশফোর্ড গোল করে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন।
৭০ হাজার দর্শকে পূর্ণ ডালাস কাউবয়েজ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচটি ছিল ২০১৮ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের পুনরাবৃত্তি। সেবার অতিরিক্ত সময়ে ২-১ ব্যবধানে জিতেছিল ক্রোয়েশিয়া। তবে এবার থমাস টুখেলের শিষ্যরা দাপট দেখিয়ে জয় দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করল। ১৯৬৬ সালের পর প্রথম বড় শিরোপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামা ইংল্যান্ডের জন্য এটি ছিল আত্মবিশ্বাস জাগানিয়া সূচনা।