প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১২ জুন ২০২৬ ১৯:০৮ পিএম
আপডেট : ২২ ঘণ্টা আগে
প্রস্তুতি ম্যাচে গোলের সহজ সু্যোগ হাতছাড়া করার পর হতাশ ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ছবি: সংগৃহীত
বয়সের কারণে তিন আলোচিত খেলোয়াড় ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো, লিওনেল মেসি এবং নেইমার তাদের শেষ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন।
এই তিন তারকার দিকেই ফুটবল ভক্তদের নজর বেশি। ইনজুরির কারণে নেইমার এখনও মাঠে নামতে পারেননি। তবে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। মেসি স্বল্প সময় মাঠে থাকলেও দারুণভাবে আলো ছড়িয়েছেন। অন্যদিকে হতাশ করেছেন পর্তুগালের ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। আলো ছড়াতে পারেননি তিনি, বরং বলা যায় হতাশ করেছেন এই পর্তুগিজ। নষ্ট করেছেন একাধিক সুযোগ।
ক্রিশ্চিয়ানো
রোনালদোর পর্তুগাল বুধবার রাতে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নেমেছিল। দেশ ছাড়ার আগে নিজেদের
মাটিতে খেলায় নিজেকে উজাড় করে দিতে চেয়েছিলেন রোনালদো। চেষ্টা করেছেন তিনি, তবে বয়সের
ছাপ ছিল স্পষ্ট। ফলে সুযোগ নষ্ট করেছেন। তবে তার দল জয় পেয়েছে। ২-১ গোলে হারিয়েছে তারা
আফ্রিকার ঈগল খ্যাত নাইজেরিয়াকে। এ নিয়ে উভয় প্রস্তুতি ম্যাচে জয় পেল পর্তুগাল। আগের
ম্যাচে তারা একই ব্যবধানে হারিয়েছিল চিলিকে।
১৪৩ গোল নিয়ে
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি গোল করার তালিকার শীর্ষে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। তার
কাছে নেই কেউ। নিজেকে এতটা উচ্চতায় নিয়েছেন যে, আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি দূর থেকে
তাকে অনুসরণ করে যাচ্ছেন। ১১৭ গোল আর্জেন্টিনার অধিনায়কের। এ ম্যাচে অবশ্য গোলের সংখ্যাটা
বাড়িয়ে নেওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিলেন রোনালদো। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। উভয় অর্ধে
একটা করে গোলের সহজ সুযোগ তৈরি হয়েছিল রোনালদোর সামনে। কিন্তু গোল করতে পারেননি। প্রস্তুতি
ম্যাচে হতাশ করলেন রোনালদো ।
পর্তুগালের কোচ
রবার্তো মার্টিনেজ ম্যাচে সবাইকে সুযোগ দিয়েছেন। একের পর এক খেলোয়াড় পরিবর্তনের ফলে
খেলা শেষের বাঁশি যখন বাজে তখন মাঠে প্রথম একাদশের কেউ ছিলেন না। কোচ ১১ খেলোয়াড়ই পরিবর্তন
করেন। বিরতির সময় করেন আট পরিবর্তন। পরবর্তী সময়ে বাকি তিন পরিবর্তন আনেন তিনি। রোনালদো
মাঠে ছিলেন ৬৫ মিনিট পর্যন্ত। অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের তুলনায় বেশি সময় মাঠে ছিলেন তিনি।
পাঁচবারের ব্যালন
ডি অর জয়ী রোনালদো এবার ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলতে যাচ্ছেন। তার
মতো লিওনেল মেসিও ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলার অপেক্ষায়। বদলি খেলোয়াড় ফ্রান্সিসকো কনসিকাওয়ের
গোলে শেষ পর্যন্ত জয় পায় পর্তুগাল। তার আগে ২৩ মিনিটে পেদ্রো নেতো গোল করে পর্তুগালকে
এগিয়ে নিয়েছিলেন। ৩৭ মিনিটে আকোর অ্যাডামস গোল করে সমতায় ফিরিয়েছিলেন।
বিশ্বকাপের চূড়ান্ত
পর্বে পর্তুগাল ‘কে’ গ্রুপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। গ্রুপে আরও রয়েছে কঙ্গো, উজবেকিস্তান
ও কলাম্বিয়া। ১৭ জুন কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে পর্তুগালের বিশ্বকাপ-যাত্রা।
২৭ জুন কলাম্বিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শেষ হবে তাদের গ্রুপ পর্বের খেলা।
নাইজেরিয়া অবশ্য
এবারের বিশ্বকাপে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেনি। বিশ্বকাপে না থাকায় তারা এখন ২০২৭
সালের আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে মনোযোগী হবে।